Techtunes Tips

এখানে আপনি পাবেন কম্পিউটারের সকল সমস্যার সমাধান। ফ্রি সফটওয়ার, keygen আরো অনেক কিছু।

বিভিন্ন ধরনের ব্যাটারি

Tuesday, January 18, 2011

ব্যাটারি এখন একটি অতি জরুরি পন্য।

এই ব্যাটারীকে প্রথমে ২টা ভাগে ভাগ করা যায়:
১। প্রাইমারি: তাতক্ষনিক ব্যবহার, চার্জ দেয়া যায়না। ডিসপোজেবল। [এলকালাইন, (জিংক কারবন সবচেয়ে বেশী দেখা যায়, সস্তার কারনে)]
২। সেকেন্ডারি: রিচার্জেবল ব্যাটারি। ব্যবহারের আগে চার্জ করে নিতে হয়।

ব্যাটারি সেল:
ব্যাটারিতে ব্যবহৃত ইলেকট্রোলাইটের উপর নির্ভর করে

১। ড্রাই সেল:
যে গুলোর ইলেকট্রোলাইট পেস্ট বা শুকনো কেমিকেলের থাকে সেগুলো ড্রাই সেল [পেনসিল, লিথিয়াম আয়ন, বাটন সেল ইত্যাদি]।
সুবিধা: রক্ষনাবেক্ষন সহজ, ভেনট টিউব নেই তাই গ্যাস নেই।
অসুবিধা: দামি, চার্জের ব্যাপারে সেনসিটিভ, মান ঠিক না থাকলে ব্যাটারি নষট হতে পারে। চার্জে সময় বেশি লাগে।

২। ওয়েট সেল
যে গুলোর ইলেকট্রোলাইট তরল [ লেড এসিড বা গাড়ির ব্যাটারি] থাকে তা ওয়েট সেল। এগুলোতে ভারি সিসার পাত, এসিড দ্রবনে ডুবানো থাকে।
সুবিধা: কমদাম, মজবুত, শক্তিশালি, সহজপ্রাপ্য
অসুবিধা: চার্জের সময় ক্ষতি কারক গ্যাস নির্গমন হয় তাই ভেন্ট টিউব রাখতে হয়। ইলেক্ট্রোলাইট লেভেল পর্যবেক্ষনে রাখতে হয়। লিক করে এবং আগুন জ্বলতে সহায়ক, ক্ষয়কারক।

আর একধরনের ব্যাটারি হল এজিএম [এবজর্বড গ্লাস ম্যাট] এতে ইলেক্ট্রোলাইট ও সিসা প্লেট এর মধ্যে গ্লাস ম্যাট ব্যবহার করা হয়, ফলে ইলেক্ট্রোলাইট গ্লাস ম্যাট দ্বারা শোষিত হয়।
সুবিধা: রক্ষনাবেক্ষন কম, ভেনটিং এর প্রয়োজন হয়না, চার্জ হয় দ্রুত, যেকোন স্থানে বসানো যায়।
অসুবিধা: ব্যয়বহুল, চার্জের হাই ভোল্ট হলে ব্যাটারি নষ্ট হতে পারে।

0 comments:

Post a Comment