Techtunes Tips

এখানে আপনি পাবেন কম্পিউটারের সকল সমস্যার সমাধান। ফ্রি সফটওয়ার, keygen আরো অনেক কিছু।
Showing posts with label Virus. Show all posts
Showing posts with label Virus. Show all posts

বাড়তি সফটওয়্যার ছাড়াই পেনড্রাইভের আটোরান বন্ধ করুন

Saturday, July 16, 2011

আমরা ডাটা ট্রান্সফার করতে পেনড্রাইভ ব্যবহার করি। কিন্তু সব চাইতে বেশি ভাইরাসও ছড়ায় পেনড্রাইভের মাধ্যমে। বেশিরভাগ সময় যখন পেনড্রাইভ পিসি তে লাগানো হয় তখন পিসি এর অটোরান সিস্টেম পেনড্রাইভ কে অটো রান করে, আর সেই সময়ই পেনড্রাভে যদি ভাইরাস থাকে সেগুলো পিসিতে বিস্তার লাভ করে।
সফটওয়্যার ছাড়া আটোরান বন্ধ করতেঃ
১. Start > Run ওপেন করুন।
২. gpedit.msc লিখে OK চাপুন। নতুন ১টি উইন্ডো আসবে।
৩. User Configuration এর বাম পাশের + চিহ্ন ক্লিক করে Administritive Templates এর বাম পাশের + চিহ্ন ক্লিক করুন। তারপর সিস্টেম এ ক্লিক করুন।
৪. এখন ডান পাশের উইন্ডোতে Turn off autoplay লেখাটি ডাবল ক্লিক করে Enable সিলেক্ট করুন আর নিচের Turn off autoplay on অংশে All drive সিলেক্ট করে OK চাপুন। তারপর বেরিয়ে আসুন।
ফ্রী টিপস (লেনা হো তো লো, নেহি তো জানে দো!)
পেনড্রাইভ কখনো ডাবল ক্লিক করে খুলবেন না। দরকারে, এন্টিভাইরাস দিয়ে scan করে তারপর ফোল্ডারস ট্যাব দিয়ে অথবা আড্রেসবারের সাহায্যে ওপেন করুন

Read more ...

মাত্র এক লাইনের কোড দিয়ে সমাধান করে ফেলুন অটোরান সমস্যাঃ ডিজিটাল জোন

Saturday, March 19, 2011


কম্পিউটার যারা ব্যবহার করেন তারা অবশ্য অটোরান সমস্যার সাথে কম-বেশি পরিচিত। এ্রর আক্রমণে যে সমস্যা হয় তা অত্যান্ত বিরক্তিকর। কোন ড্রাইভে ডাবল ক্লিক করলে উক্ত ড্রাইভ খোলে না আর অটোরান মেনু আসে। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে মাত্র এক লাইনের কোড ব্যবহার করুন। আর এক নিমিষেই শেষ অটোরান ভাইরাস। নিচের মতো করুন।
  • § প্রথমে স্টার্ট মেনু থেকে রানে যান।
  • § এবার cmd লিখে এন্টর করুন। তাহলে কমান্ড প্রোম্পট খুলবে।
  • § এবার নিচের কোডটি লিখুনঃ
del c:\autorun.*/f/s/q/a
  • তারপর এন্টার দিন।
  • § তাহলে ফাইল মুছা শুরু হবে, এবার আবার নিচের লাইনটি লিখুনঃ
del d:\autorun.*/f/s/q/a
  • তারপর এন্টার দিন।
  • § এখানে দেখুন C এবং D লিখলাম। এখানে C ও D হচ্ছে ড্রাইভ লেটার। আরেকটা কথা del শব্দটির পর এটা স্পেস দিয়ে ড্রাইভ লেটার লিখবেন।
সর্বশেষ আপনার সিস্টেমটি রিস্টার্ট করুন। এখন দেখবেন অটোরান সমস্যা নেই।
সবাই ভাল থাকবেন। আল্লাহ হাফেজ, ধন্যবাদ…….

Read more ...

ফোল্ডার হিডেন হয়ে গেছে ভাইরাসের কারণে? কী উপায়?

Friday, February 18, 2011

আমাদের মধ্যে বেশিরভাগ ব্যবহারকারীই অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে উইন্ডোজ ব্যবহার করে থাকেন। আর উইন্ডোজ ব্যবহারকারীদের সবচেয়ে বড় শত্রু হচ্ছে ভাইরাস। মূলতঃ ভাইরাস আমাদের নিত্য দিনের সঙ্গী। ভাইরাস ছাড়া আপনি চলতেই পারবেন না। তাই ভাইরাস থেকে আপনাকে দূরে দূরে থাকতে হবে। কিন্তু আমরা যতই ভাইরাস থেকে দূরে থাকি, ভাইরাস তো আমাদের ছাড়ে না। অসাধানতার বশতঃ বা যে কোন কারণে ভাইরাস আমাদের কম্পিউটারে প্রবেশ করে। যাক এখন কাজে আসি, ভাইরাসের কারণে আপনার কম্পিউটারের ফাইল বা ফোল্ডার হিডেন হয়ে গেলে কী করবেন? ফাইল বা ফোল্ডার হিডেন হয়ে গেলে আমরা বেশ বিপাকে পড়ি। আবার দেখুন ভাইরাসের কারণে উক্ত হিডেন হওয়া ফাইল বা ফোল্ডারগুলো সার্চ করেও পাওয়া যায় না। কী উপায় ফিরিয়ে আনতে! কোন চিন্তাই নেই সমস্যা যেহেতু আছে, সমাধানও আছে। নিচের উপায়গুলো দেখুনঃ
উপায় ১ঃ Control Panel >>> Folder Options এ যান। এখানে Tools মেনু ট্যাবে Show hidden files and folders এবং Hide protected operating system files আনচেক করুন। এবার Advanced Options >>> Search hidden files and folders চেক করুন। এখন দেখবেন হিডেন ফাইলগুলো দেখা যাবে।
এবার আসুন ভাইরাসের কারণে হিডেন অপশন ডিজেবল হলে কী করবেন? তখন তো হিডেন অপশন কাজ করবে না। হিডেন অপশন এনাবল এবং আনচেক করতে পারবেন একটি সফটওয়্যারের মাধ্যমে। এর নাম এট্রিবিউট চেঞ্জার এবং এটি ডাউনলোড করুন এখান থেকে। এর ইনস্টল করুন। এখন যে ফোল্ডারের এট্রিবিউট পরিবর্তন করতে চান তার উপর মাউসের ডান বাটন ক্লিক করুন। এবার Change Attributes এ ক্লিক করুন। Folder Properties ট্যাব থেকে System, Hidden আনচেক করে Ok করুন। তাহলেই ফোল্ডার অপশন্সের হিডেন অপশন এনাবল হবে। এখন Show hidden files and folders এবং Hide protected operating system files চেক করুন এবং OK করে বেরিয়ে আসুন।
উপায় ২ঃ স্টার্ট মেনু থেকে রানে যান এবং লিখুন cmd. তাহলে কমান্ড প্রোম্পট খুলবে। এখন আপনার ড্রাইভে প্রবেশ করুন। এজন্য যে ড্রাইভ উক্ত ড্রাইভের নামে লিখুন, যেমনঃ ড্রাইভ E হলে E: লিখে এন্টার দিন, তাহলে ড্রাইভে প্রবেশ করবে।
এবার attrib -s -r -h -a /s /d লিখে এন্টার করুন। তাহলে আপনার হিডেন হওয়া ফোল্ডার বা ফাইল ফিরে আসবে।
বিশ্লেশণঃ
attrib = attribute, s = system file, r = read only, h = hidden, a = archive,
/d = directory, /s = sub directory

Kindly comment for this post…….

Read more ...

Autorun এর কারণে ড্রাইভ খুলতে সমস্যা হলে করণীয়

উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম যারা ব্যবহার করেন ভাইরাস তাদের নিত্যদিনের সঙ্গী। এর থেকে পরিত্রাণের জন্য আমরা বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়ে থাকি। তবুও এটি আমাদের পিছু ছাড়ে না। এখন আসি মূল কথায়। অটোরান ভাইরাস একটি বিরক্তিকর ভাইরাস। কারণ এটির কারণে ড্রাইভে দু’বার ক্লিক করলে খোলে না। উল্টো অটোরান মেনু আসে। যা আসলেই বিরক্তিকর। এখন আপনার সিস্টেম যদি অটোরান ভাইরাসের হাতে পড়ে তখন কি করবেন? আপনি কি করেন? আপনি এরকম করেন যেমন- ড্রাইভকে এন্টিভাইরাস দ্বারা স্ক্যান দেন, তাই না। মজার বিষয় হল এটি এন্টিভাইরাস দ্বারা স্ক্যান করলেও কাজ হবে না। কারণ এন্টিভাইরাস এটিকে ধনতে পারেন। এখন উপায়? উপায় তো আছে, সমস্যা যখন আছে, উপায়ও আছে। এবার কাজে আসি। এর থেকে মুক্তি পেতে চান তাহলে এই ফাইলটি মুছে ফেলুন। কীভাবে সম্ভব?

তাহলে নিচের কাজটুকু করুন, তাহলেই হয়ে যাবে।

echo off
del“C:\autorun.inf”/F/Q
del“D:\autorun.inf”/F/Q
del“E:\autorun.inf”/F/Q
del“F:\autorun.inf”/F/Q
del“G:\autorun.inf”/F/Q
del“H:\autorun.inf”/F/Q
del“H:\autorun.inf”/F/Q
pause
উপরের কোডটি কপি করে নোটপ্যাডে পেষ্ট করুন এবং delete.bat লিখে সংরক্ষণ করুন।
ব্যস কাজ শেষ। এবার ফাইলটি চালু করুন ও সিস্টেম রিস্টার্ট দিন। তাহলে আর ড্রাইভে অটোরান ভাইরাস সমস্যা করবে না।
ভাল থাকবেন। যাক পড়ে চলে যাবেন না।

Read more ...

ভাইরাস ইতিহাস

Friday, February 11, 2011

কম্পিউটার ব্যবহার করেছেন কিন্তু ভাইরাসের সম্মূখীন হননি এমন কাউকে পাওয়াই ভার। ভাইরাস নিয়ে অনেক জল্পনা-কল্পনা। উৎসাহীদের আগ্রাহ মেটাতে এই প্রচেষ্টা। জানুন ভাইরাসের ইতিহাস! না পড়লে মিস করবেন…..

কম্পিউটার ভাইরাস কি?

ভাইরাস হল এমন একটি প্রোগ্রাম যা একটি ধ্বংশকারী/সন্ত্রাসী হিসেবে নিজেকে (অর্থাৎ এর “এক্সিকিউটেবল” অংশকে) অন্যান্য প্রোগ্রামের সাথে সংযোগ করে সংক্রমণ ঘটায় এবং ধ্বংশযজ্ঞ চালায়। কম্পিউটারের পরিভাষায় ভাইরাস (VIRUS) শব্দটি ভাঙলে পাওয়া যায় ‘ভাইটাল ইনফরমেশন রিসোর্সেস আন্ডার সিজ (Vital Information Resources Under Seize)’ অর্থাৎ গুরুত্বপূর্ণ উৎসগুলো বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। প্রখ্যাত গবেষক ‘ফ্রেড কোহেন’ ভাইরাসের নামকরণ করেন।

ভাইরাসের ইতিহাস পর্যালোচনা

১৯৮৬-১৯৮৭ প্রারম্ভিক পরিচয়ঃ
১৯৮৬ সালে পাকিস্তানের দুই প্রোগ্রামার আমজাদ ও বাসিত উপলদ্ধি করল ফ্লপি ডিস্কের বুটসেক্টর executable কোড ধারণ করে এবং এ কোড কম্পিউটার চালু করলেই রান করে যদি ড্রাইভে ডিস্ক থাকে। তারা আরও উপলদ্ধি করে, এ কোড তাদের নিজস্ব প্রোগ্রাম (কোড) দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয় যা মেমোরি রেসিডেন্ট প্রোগ্রাম হতে পারে এবং যা নিজের কপি তৈরি করতে সক্ষম। প্রোগ্রাম নিজের অনুলিপি তৈরি করতে পারে বলে তারা এর নাম দেয় ‘ভাইরাস’। কিন্তু এটি শুধুমাত্র ৩৬০ কিলোবাইট ফ্লপি ডিস্ককে সংক্রমিত করে।
১৯৮৭ সালে University of Delaware অনুভব করল তাদের কম্পিউটার এ ভাইরাস দ্বারা সংক্রমিত। যখন কম্পিউটার শুরু করে ফ্লপি ডিস্কের লেবেল ‘(c) Brain’ দেখতে পেল। এটিই প্রথম ভাইরাসের আক্রমণ এবং এটি ডঃ সলেমন পযাবেক্ষণ করেন। এ ভাইরাসের উপস্থিতি প্রথম উক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের জনৈকা কম্পিউটার কর্মী দেখে একে ভাইরাস বলে মনে করেন এবং ডিস্ক থেকে ডেটা পুনরুদ্ধারের কাজে নিমগ্ন ডঃ সলেমনের কাছে যান। ডঃ সলেমন একে বিশ্লেষণ করেন এবং এভাবে তিনি এন্টিভাইরাস ব্যবসায়ে আসেন।
ইতিমধ্যে ১৯৮৬ তে Ralf Burger নামক এক প্রোগ্রামার উপলদ্ধি করল, একটি ফাইল আরেকটি ভাইলের সংযুক্তিতে নিজে নিজের অনুলিপি (কপি) তৈরি করতে সক্ষম। তিনি এর উপর একটি ডেমোনেস্ট্রেশন লিখেন যাকে Virdem বলা হয়। তিনি এটি Chaos Computer Club এ বিতরণ করেন ডিসেম্বরের কনফারেন্সে যেটির Theme ছিল ভাইরাস সম্পর্কে। Virdem যেকোন com ফাইলকে আক্রান্ত করতে পারে। এর পে-লোড ভীতিকর নয়। এ ব্যাপারে Ralf খুব বেশি উৎসাহি হয়ে এ সম্পর্কিত একটি বই লেখেন। Ralf বুট সেক্টর ভাইরাস নিয়ে কোন চিন্তা করেন নি, তাই এ সম্পর্কে বইতে কিছু বললেন নি।
১৯৮৭ সালে Charlie, Vienna নামক ভাইরাসের উপন্থিতি লক্ষ্য করা যায়, যা মেশিনকে হ্যাং বা রিবুট করে দেয়। ইতিমধ্যে ইসরাইলের তেলআবিতে অন্য একজন প্রোগ্রামার Suriv-01 নামে ভাইরাস তৈরি করে। এটি ছিল মেমোরি রেসিডেন্ট ভাইরাস কিন্তু এটি .com ফাইলকে আক্রমণ করত। তার দ্বিতীয় ভাইরাস হল Suriv-02 যা শুধু .exe ফাইলকে আক্রমণ করে এবং এটি হল পৃথিবীর প্রথম .exe ফাইল আক্রমলকারী ভাইরাস। তার তৃতীয় ভাইরাস হল Suriv-03 যা .com এবং .exe উভয় ফাইলকে আক্রমণ করে। তার চতুর্থ ভাইরাস পৃথিবীর সর্বত্র ছড়িয়ে যায় এবং তা Jerosalem নামে পরিচিত হয়। এ ভাইরাস আক্রান্ত ফাইল প্রতি শুক্রবার ১৩ তারিখে চালালে ভাইরাস ফাইলকে মুছে ফেলে।
ইতিমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে Fred Chohen কম্পিউটার ভাইরাসের উপর তত্ত্বমূলক প্রবন্ধ লেখে। Dr. Chohen প্রমাণ করেন যে কেউ প্রোগ্রাম রচনা করতে সক্ষম নন যা কোন ফাইল দেখে ১০০% নিশ্চিতভাবে বলতে পারে এতে ভাইরাস আছে কি না। তিনি কিছু পরীক্ষা চালান। তিনি সিস্টেমের জন্য একটি ভাইরাস রিলিজ করেন এবং আবিষ্কার করেন যে, এটি যে কারো অনুমানের চেয়েও অনেক বেশি দ্রুত বিচরণ করতে পারে।
১৯৮৭ তে Chohen, Lehigh University তে যোগদান করেন এবং এখানে Lehigh নামক ভাইরাস তৈরি করেন। Lehigh নিশ্চিত ছিল একটি অক্ষম ভাইরাস, এটি কখনো বিস্তার লাভ করতে পারে না। কারণ এটি শুধু মাত্র Command.com ফাইলকে সংক্রমিত করে এবং চতুর্থ অনুলিপি তৈরির পর এটি Host এর অনেক ক্ষতি সাধন করে। এ ভাইরাসের একটি নীতি ছিল যে এটি দ্রুত এর Host কে Damage করে বেঁচে থাকত না। Lehigh ছিল জঘন্যতম বিপদজ্জনক। চতুর্থ অনুলিপি তৈরির পর এটি ডিস্কে অভাররাইট করত, বেশিরভাগ FAT কে আঘাত করত। কিন্তু একটি ভাইরাস যা শুধুমাত্র Command.com ফাইলকে আক্রন্ত করত তা বেশি সংক্রমক ছিল না। যাই হোক না কেন Lehigh ভাইরাস ব্যাপক প্রচার পায়।
যখন সবকিছু চলতেছিল, Newzealand এর University of Wellington এর ছাত্র একটি ভাইরাস তৈরি করে যার Soft-restraint এবং Memory-restraint Replication থাকায় সারা বিশ্বে দ্রুত প্রসার লাভ করে। ইটালীর ইউনিভার্সিটি অব টুরিনের একজন প্রোগ্রামার অন্য আরেকটি বুট সেক্টর ভাইরাস লেখেন। এ ভাইরাস রান করে স্ক্রীণে লাফানো বল প্রদর্শীত হয়। এটি Italian, Ping-Pong / Bounching Ball নামে পরিচিত। এ সময় আমেরিকাতে Yale নামক অন্য আরেকটি বুট সেক্টর ভাইরাস দেখা যায়। ১৯৮৭ তেই একজন জার্মানী প্রোগ্রামার Cascade ভাইরাস লেখেন।

১৯৮৮- খেলা হল শুরু

১৯৮৮ সালে বানিজ্যিকভাবে বিভিন্ন এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার তৈরি হয়। ­IBM কম্পিউটার ভাইরাসের ব্যাপারে জোরালো পদক্ষেপ নেয়। ১৯৮৮ সালে Virus-B নামে অপর একটি সাংঘাতিক ভাইরাস লেখা হয়। ১৯৮৮ এর শেষের দিকে Jerosalem ভাইরাস দ্বারা একটি অর্থলগ্নী প্রতিষ্ঠান মারাত্মক ক্ষতির সম্মূখীন হয়। ভাইরাসের উপর প্রথম সেমিনার অনুষ্ঠিত হয় ডঃ সলেমানের প্রচেষ্টায় এবং একই বছর তিনি তৈরি করেন প্রথম এন্টিভাইরাস Toolkit ।

১৯৮৯- তথ্য সন্ত্রাস

Jerisalem ভাইরাসের রূপান্তরিত ভাইরাস Fu Manchu বৃটিশ ভাইরাস গবেষকদের হাতে আসে। মার্চে Data crime নামক ভা্‌ইরাস দেখা দেয় হল্যান্ডে, এতে অনেক কম্পিউটার অচল হয়ে পড়ে এবং এ ভাইরাস অক্টোবরে আমেরিকাতেও ধরা পড়ে। লন্ডনের Royal National Institute of Blind, Jerosalem ভাইরাস দ্বারা আকান্ত হয়। আমেরিকাতে বিতরণকৃত এইডস সম্পর্কিত তথ্য সমৃদ্ধ বিশহাজার ডিস্কে দেয়া প্রোগ্রাম ইন্সটল করে অনেক ব্যবহারকারী বেশ বিপাকে পড়েন। Aids Information Disk ইনস্টল করার পর একটি হিডেন ডিরেক্টরী ও ফাইল তৈরি করে এবং Autoexec.bat ফাইলকে পরিবর্তন করে ফেলে। এর ফলে ৯০বার বুট হওয়ার পর সব ফাইল নামকে ট্রোজন এনপ্রিপ্টেড করে হিডেন এট্রিবিউট দেয় এবং একটি ফাইলই থাকে যাতে Po Box7, Panama এ ঠিকানায় $১৮৯ পাঠানোর কথা বলে। পুলিশ এ ব্যাপারে তদন্ত করে দায়ীকে গেপ্তার করে। ১৯৮৯ এর শেষ নাগাদ প্রায় ২ডজন ভাইরাস সম্পর্কে জানা যায়। কিন্তু এ সময়ে রাশিয়া ও বুলগেরিয়াতে কি হচ্ছে তা অনেকের অজানা থেকে যায়।

১৯৯০- কঠিন এক খেলা

Vienna ভাইরাস থেকে প্রথম Polymerphic ভাইরাস তৈরি হয়। এ বছর বুলগেরিয়া থেকে অনেক ভাইরাস উদ্ভব হয় আর এরা নিজেকে Dark Avenger নামে পরিচয় দেয়। এ ভাইরাস নতুন দু’টি ধারণার জন্ম দেয়। ১. `Fast Infector’ এ ভাইরাস মেমোরিতে ওপেন ফাইলকে আক্রামণ করে ও দ্রুত হার্ডডিস্কে আক্রান্ত করে। ২. Subtle Damage. Dark Avenger ভাইরাসটি শুধু ডেটা নয়, ডেটার ব্যাকআপও নষ্ট করতে চেষ্টা করে। এবছর বুলগেরিয়াতে প্রথম Virus Exchange BBS (VX BBS) বের হয়। ১৯৯০ এর ২য় সপ্তাহে Whale ভাইরাস দেখা দেয়। এটি বেশ বড় ও জটিল ভাইরাস যা বিশ্লেষণ করতে ভাইরাস গবেষকদের অনেক সময় লেগেছিল। ১৯৯০ এর শেষে এন্টিভাইরাস ভাইরাস লেখকদের চেয়ে শক্তিশালী ও সংগঠিত হয়। ১৯৯০ এর ডিসেম্বরে হ্যামবুর্গে European Institute for Computer Anti-virus Research (EICAR) প্রতিষ্ঠিত হয়। তারা এন্টিভাইরাস গবেষক ও ভেন্ডারদের মধ্যে আলোচনার ব্যবস্থা করে ও সরকারকে ভাইরাস লেখকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার জন্য বলে। যখন EICAR প্রতিষ্ঠিত হয় তখন পর্যন্ত প্রায় ১৫০টি ভাইরাস ছিল ও বুলগেরিয়ান ভাইরাস তৈরির কারখানা পুরোদমে চলছিল।

১৯৯১- প্রডাক্ট চালু ও পলিমরফিজম

১৯৯১ তে ভাইরাস সমস্যা মোটামুটি সমাধানে আসে। ডিসেম্বর ১৯৯০ তে Symantec Norton Antivirus চালু করে। এপ্রিল ১৯৯১ তে Central Point CPAV চালু করে। কিন্তু ডিসেম্বর ১৯৯১ এর সবচেয়ে বড় সমস্যা হল Glut (অসংখ্য ভাইরাস)। ডিসেম্বর ১৯৯০ তে ২০০-৩০০ ভাইরাস ছিল। কিন্তু ডিসেম্বর ১৯৯১ তে এর সংখ্যা দাঁড়ায় প্রায় ১২০০তে। পূর্ব ইউরোপ থেকে বেশি ভাইরাস তৈরি হয়। এতে এন্টিভাইরাস গবেষকরা প্রতিষেধক তৈরিতে বেশ হিমসিম খান। Tequila (সুইজারল্যান্ড) হল প্রথম বিস্তারকারী Polymorphic ভাইরাস।

১৯৯২-ব্যস্ত বছর

জানুয়ারী ১৯৯২তে Dark Avenger থেকে Self Mutating Engine (MtE) দেখা গিয়েছিল। প্রথমে এটাকে দেথা গিয়েছিল ভাইরাস নাম ছিল Dedicated কিন্তু সহসা MtE দেথা দিয়েছিল। প্রথমে ধরে নেয়া হয়েছিল MtE তে অজস্র ভাইরাস থাকতে পারে, কারণ এ্টি ভাইরাস খুঁজতে কঠিনতর করে। ঐ সময় Starship নামক অপর একটি সম্পূর্ণ পলিমরফিক ভাইরাস আসে। ১৯৯২তে বিশ্বে ব্যবহারকারীদের মধ্যে ভাইরাস আতংক দেখা দেয় এবং কম্পিউটার বিক্রেতারা আতংকিত হয়ে পড়ে। ৬ই মার্চের পূর্ব পর্যন্ত শুধু আমেরিকাতে প্রায় ১০হাজার কম্পিউটার অকেজো হয়ে পড়ে। আগষ্ট, ৯২তে প্রথম ভাইরাস অথরিং প্যাকেজ দেখা দেয়, যা ব্যবহার করে যে কেউ ভাইরাস তৈরি করতে পারত। ১৯৯২ এর শেষের দিকে ইংল্যান্ডে গঠিত হয় ভাইরাস লেখক সমিতি Association of Really Cruel Viruses (ARCV) ভাইরাস প্রতিরোধ গোষ্ঠির সহায়তায় স্কটল্যান্ড ইয়ার্ডের কম্পিউটার ক্রাইম ইউনিট এদের চিহ্নিত করে ও গ্রেফতার করে। ARCV তিন মাসে কয়েক ডজন ভাইরাস তৈরি করে।

১৯৯৩- পলিমরফিক ভাইরাস ও ইঞ্জিন

১৯৯৩ এর প্রথম দিকে হল্যান্ড Trident নামক নতুন ভাইরাস লেখক আবিষ্কৃত হয়। Trident এর প্রধান লেখক মাসুদ খাফির Trident Polymorphic Engine (TPE) লিখে ও এটি ব্যবহার করে GRARFE নামক নতুন ভাইরাস ছাড়ে। Cruncher ভাইরাস হল Compression ভাইরাস যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিজেকে ফাইলে যুক্ত করে বিভিন্ন কম্পিউটারে অটো-ইনস্টল করে। ইতিমধ্যে Dark Avenger DAME (Dark Angel’s Multiple Encryptor) ছাড়ে ও এটি ব্যবহার করে Trigger নামক ভাইরাস তৈরি করে। Trident আগের চেয়েও জটিল ও কঠিন TPE এর ভার্সন ১.৪ এবং এটি ব্যবহার করে তৈরি Bosnia ভাইরাস ছাড়ে্। এ বছরই উচ্চ পলিমরফিক ভাইরাস Tremor দেখা দেয়। Dark Ray এবং John Tardy তাদের দলে যোগ দেয়ায় ১৯৯৩ এর মাঝামাঝি Trident গোষ্ঠি আরও উন্নতি লাভ করে। Tardy 888 বাইটে সম্পূর্ণ পলিমারফিক ভাইরাস ছাড়ে। ১৯৯৩ এর সবচেয়ে খারপ সংবাদ হল পলিমারফিক ইঞ্জিন এবং পলিমারফিক প্যাকেজের ছড়াছড়ি যা দিয়ে সহজেই এমন ভাইরাস তৈরি করা যায় যা এন্টিভাইরাস স্ক্যানার দিয়া ধরা কঠিন।
১৯৯৩তে XTREE এন্টিভাইরাস কোম্পানি তাদের ব্যবসা ছেড়ে দেয়ার ঘোষণা দেয়- এটিই হল প্রখম ঘটনা যে একটি বড় এন্টিভাইরাস কোম্পানী গুটিয়ে ফেলা। এছাড়াও এ বছর অনেক এন্টিভাইরাস কোম্পানী বন্ধ হয়ে যায়। একই বছর ডঃ সলেমন Find Virus এবং Virus Guard এর ল্যাংগুয়েজ জন্য VIRTRAN এর জন্য Queen’s Award পান। ভাইরাস তৈরির প্যাকেজ ব্যবহার করে তৈরি ভাইরাসের সংখ্যাধিক্যর এন্টিভাইরাস লেখকরা হিমসিম খাচ্ছিল। এসব ভাইরাস বিশ্লেষণ করতে তাদের জন্য সহজ ব্যবস্থার প্রয়োজন হয়ে পড়ে। এর সমাধান হল Generic Decryption Engine (GDE) যা সন্দেহজনক ফাইলকে কোড Decrypt করে এ সিদ্ধান্তে উপনীত করে যে ফাইলটিতে ভাইরাস আছে কি নেই।

১৯৯৪ CPAV বন্ধ ও অজস্র ভাইরাসের আগমন

১৯৯৪ এর এপ্রিলে Central Point Software প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ হয়ে যায়। Central Point এন্টিভাইরাস মার্কেটে তাদের CPAV প্রডাক্ট নিয়ে জনপ্রিয় ছিল। এবছর অজস্র ভাইরাসের আগমন ঘটে। বছরের শুরু ভাইরাস ছিল ৪০০০ এবং শেষে হল প্রায় ৬০০০। ইউরোপের ভাইরাস লেখক গোষ্ঠি আরও বেপোরোয়া হয়ে উঠে।দুরপ্রাচ্যে (Far fast) Mulation Engine তৈরি শুরু করে। Dark Slyer থেকে DSME অন্তর্ভূক্ত করে। ভাইরাসের এই মারাত্মক ছড়াছড়ি এন্টিভাইরাস ভেন্ডারদের সংকটে ফেলে দেয়। ডঃ সলেমান ভাইরাস প্রাচুর্যের সাথে তাল মিলিয়ে Combination পচন্দ করেন। কিছু Combination ভাইরাস উত্তর-পশ্চিম ইংল্যান্ড থেকে বের হয়। ১৯৯৪ তে তিনটি ভাইরাস Natas, One-Half, SMEG.Pathogen আলাদা আলাদাভাবে অনেক সমস্যার সৃষ্টি করে।

১৯৯৫ ডকুমেন্ট ধ্বংসকারী ম্যাক্রোভাইরাসের উদ্ভব

১৯৯৫ এর ২৬শে মে Smeg ভাইরাস তৈরির অপরাধে ইংল্যান্ডের প্লেমাউথে ২৬ বছর বযস্ক Christopher Pile, Computer Misuse Act এর আওতায় দন্ডিত হন। ১৯৯৫ এর মধ্য পর্যন্ত ভাইরাসের সংখ্যা দাঁড়ায় প্রায় ৭০০০ এ। এন্টিভাইরাস নির্মাতারা আতংকিত হয়ে উঠেন।দূরপ্রাচ্যের অনেক প্রোগ্রামার অনেক ভাইরাস নকল করে নতুন ভাইরাস তৈরি করেন। যেমন, তাইওয়ানের CVEX ভাইরাস পরীক্ষা করলে ধরা পড়ে যে এটি Jerosalem ভাইরাসের নকল। Virogen নামক প্রোগ্রামার VICE এবং Pinworm ভাইরাস লেখেন। ১৯৯৫ এর মধ্যভাগে ডঃ সলেমন Advanced Heuristic Analysis (AHA) উপস্থিত করান যা /ANALYZE সুইচ ব্যবহার করে Find Virus কে নতুন সম্ভাব্য ভাইরাস পরীক্ষা করতে Allow করে। ১৯৯৫ এর আগষ্টে প্রথম ম্যাক্রোভাইরাস WM/Concept এর উদ্ভব ঘটে। এই ভাইরাস এমএস ওয়ার্ডের৬.০ এর ডকুমেন্টকে আক্রান্ত করে। ডকুমেন্টে ম্যাক্রো তৈরি থেকে এ ভাইরাস তৈরি হয়।

ভাইরাসের ভয়াবহ আক্রমণে বিশ্বব্যাপী কম্পিউটার বিপর্যয়

৯৯ এর ২৬শে এপ্রিল বাংলাদেশসহ সারাবিশ্বে লক্ষ লক্ষ কম্পিউটার CIH বা চেননোবিল নামক ভাইরাসের আক্রমণে বিপর্যয়ের সম্মূখীন হয়। টাইম বোমার মতো নির্দিষ্ট সময়ে এ ভাইরাসটি কম্পিউটারকে আক্রমণ করে। একই সময়ে সারাবিশ্বে ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হওয়ার এটাই সবচেয়ে আলোড়ন সৃষ্টিকারী ঘটনা। কম্পিউটার সিস্টেমে সময় ও তারিখের জন্য ঘড়ি সেট করা আছে। ঘড়ির কাটায় ২৬শে এপ্রিল, ১৯৯৯ হওয়ার সাথে সাথে কম্পিউটারে লুকায়িত সিআইএইচ ভাইরাস বিপর্যয়ের সৃষ্টি করে। বাংলাদেশসহ বিশ্বে লক্ষ লক্ষ কম্পিউটার অচল হয়ে পড়ে। পশ্চিমাদেশগুলোর তুলনায় এশিয়ার বিপর্যয়ের মাত্রা অনেক ভয়াবহ। এই ভাইরাসের ভয়াবহতা সম্পর্কে এন্টিভাইরাস কোম্পানীগুলো বারংবার সর্তক করার সত্ত্বেও এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর উদাসীনতার ফলে এই বিপর্যয় ঘটেছে।
অন্যান্য দেশের তুলনায় যুক্তরাষ্ট্র অনেক কম ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। ব্যাপক প্রচারনার ফলে যথাসময়ে এন্টিভাইরাস আপগ্রড কারায় কর্পোরেট হাউজগুলো এই বিপর্যয় এড়াতে পেরেছে। পিটার্স বুর্গের মেলোন বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার ইমারজেন্সি রেসপন্স টিমের মুখপাত্র বিল পোলক বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রে কমপক্ষে ২৩৮২টি কম্পিউটার ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে”।
সারা চীনে ১ লাখেরও বেশি কম্পিউটার CIH ভাইরাসের আক্রমণের শিকার হয।চীনের বৃহত্তম এন্টিভাইরাসের সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান রুইজিন কোম্পানীর জিএম লিউ জু একে মহাবিপর্যয় বলে আখ্যায়িত করেন।
দক্ষিণ কোরিয়ার অবস্থা সবচেয়ে ভয়াবহ। দক্ষিন কোরিয়ার তথ্য ও যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী আন বিউং-ইয়প ক্ষমা চেয়ে বলেন, “আমরা এই ভাইরাসটির ধ্বংশ ক্ষমতা সম্পর্কে অজ্ঞ ছিলাম এবং বিষয়টির প্রতি যথেষ্ট গুরুত্ব দেইনি”। তিনি বলেছেলেন, “কম্পিউটার ভাইরাস সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করে তুলতে হবে ও সর্তকতা পদ্ধতিকে আরও শক্তিশালী করতে হবে”। সরকারী সূত্রমতে, দক্ষিণ কোরিয়ায় ৩ লক্ষ কম্পিউটার CIH ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হয়েছিল। তবে, এন্টিভাইরাস কোম্পানীগুলো দাবি করেছে, ৬ লাখেরও বেশি কম্পিউটার ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হয়েছে।
তুরষ্কের র‍্যাডিকেল পত্রিকা জানিয়েছে, বারংবার সর্তক করার সত্ত্বেও, কেউই বিষয়টি তেমন গুরুত্ব দেয়নি। ফলে যা ঘটার তাই ঘটেছে। প্রচুর কম্পিউটার ভাইরাস আক্রান্ত হয়ে অচল হয়ে গেছে।
বিশ্বব্যাপি সবাই চেষ্টা করে এ বিপর্যায় কাটিযে উঠার জন্য। এই ভাইরাসটি ২৬শে এপ্রিল, ২৬শে জুন ও প্রতি মাসের ২৬ তারিখে আক্রমণ করতে দেখা যায়। এই ভাইরাসের আক্রামণ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য এখনই সর্তক থাকুন। [সংকলিত]
খারাপ বা ভাল যাই লাগবে মন্তব্য করতে চেষ্টা করবেন প্লিজ…………..

Read more ...

CHI ভাইরাস এবং কিছু ক্ষতিকারক ভাইরাস

ভাইরাসের ভয়াবহ আক্রমণে বিশ্বব্যাপী কম্পিউটার বিপর্যয়
৯৯ এর ২৬শে এপ্রিল বাংলাদেশসহ সারাবিশ্বে লক্ষ লক্ষ কম্পিউটার CIH বা চেননোবিল নামক ভাইরাসের আক্রমণে বিপর্যয়ের সম্মূখীন হয়। টাইম বোমার মতো নির্দিষ্ট সময়ে এ ভাইরাসটি কম্পিউটারকে আক্রমণ করে। একই সময়ে সারাবিশ্বে ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হওয়ার এটাই সবচেয়ে আলোড়ন সৃষ্টিকারী ঘটনা। কম্পিউটার সিস্টেমে সময় ও তারিখের জন্য ঘড়ি সেট করা আছে। ঘড়ির কাটায় ২৬শে এপ্রিল, ১৯৯৯ হওয়ার সাথে সাথে কম্পিউটারে লুকায়িত সিআইএইচ ভাইরাস বিপর্যয়ের সৃষ্টি করে। বাংলাদেশসহ বিশ্বে লক্ষ লক্ষ কম্পিউটার অচল হয়ে পড়ে। পশ্চিমাদেশগুলোর তুলনায় এশিয়ার বিপর্যয়ের মাত্রা অনেক ভয়াবহ। এই ভাইরাসের ভয়াবহতা সম্পর্কে এন্টিভাইরাস কোম্পানীগুলো বারংবার সর্তক করার সত্ত্বেও এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর উদাসীনতার ফলে এই বিপর্যয় ঘটেছে।
অন্যান্য দেশের তুলনায় যুক্তরাষ্ট্র অনেক কম ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। ব্যাপক প্রচারনার ফলে যথাসময়ে এন্টিভাইরাস আপগ্রড কারায় কর্পোরেট হাউজগুলো এই বিপর্যয় এড়াতে পেরেছে। পিটার্স বুর্গের মেলোন বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার ইমারজেন্সি রেসপন্স টিমের মুখপাত্র বিল পোলক বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রে কমপক্ষে ২৩৮২টি কম্পিউটার ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে”।
সারা চীনে ১ লাখেরও বেশি কম্পিউটার CIH ভাইরাসের আক্রমণের শিকার হয।চীনের বৃহত্তম এন্টিভাইরাসের সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান রুইজিন কোম্পানীর জিএম লিউ জু একে মহাবিপর্যয় বলে আখ্যায়িত করেন।
দক্ষিণ কোরিয়ার অবস্থা সবচেয়ে ভয়াবহ। দক্ষিন কোরিয়ার তথ্য ও যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী আন বিউং-ইয়প ক্ষমা চেয়ে বলেন, “আমরা এই ভাইরাসটির ধ্বংশ ক্ষমতা সম্পর্কে অজ্ঞ ছিলাম এবং বিষয়টির প্রতি যথেষ্ট গুরুত্ব দেইনি”। তিনি বলেছেলেন, “কম্পিউটার ভাইরাস সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করে তুলতে হবে ও সর্তকতা পদ্ধতিকে আরও শক্তিশালী করতে হবে”। সরকারী সূত্রমতে, দক্ষিণ কোরিয়ায় ৩ লক্ষ কম্পিউটার CIH ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হয়েছিল। তবে, এন্টিভাইরাস কোম্পানীগুলো দাবি করেছে, ৬ লাখেরও বেশি কম্পিউটার ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হয়েছে।
তুরষ্কের র‍্যাডিকেল পত্রিকা জানিয়েছে, বারংবার সর্তক করার সত্ত্বেও, কেউই বিষয়টি তেমন গুরুত্ব দেয়নি। ফলে যা ঘটার তাই ঘটেছে। প্রচুর কম্পিউটার ভাইরাস আক্রান্ত হয়ে অচল হয়ে গেছে।
বিশ্বব্যাপি সবাই চেষ্টা করে এ বিপর্যায় কাটিযে উঠার জন্য। এই ভাইরাসটি ২৬শে এপ্রিল, ২৬শে জুন ও প্রতি মাসের ২৬ তারিখে আক্রমণ করতে দেখা যায়। এই ভাইরাসের আক্রামণ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য এখনই সর্তক থাকুন।
CIH ভাইরাসের লক্ষণঃ
১. কম্পিউটারের প্রোগ্রাম রান করে না। CIH ভাইরাসের একটি ভার্সন এর জন্য দায়ী। এই ভাইরাস প্রোগ্রামের .exe ফাইলের নাম পরিবর্তন করে ফেলে।
২. কম্পিউটার অন হচ্ছে কিন্তু সি ড্রাইভ পাওয়া যাচ্ছে না।
৩. কম্পিউটার অন করলে কিছুই দেখা যায় না।
ক্ষতিঃ এটি মাদারবোর্ডের বায়োস নষ্ট করে দেয়। হার্ডডিস্কের পার্টিশন মুছে দেয়।
CIH ভাইরাসের ইতিহাসঃ
১৯৯৮ এর জুনের শুরুতে তাইওয়ানে প্রথম সিআইএইচ ভাইরাস দেখা যায়।ভাইরাসের নির্মাতা একে স্থানীয় ইন্টারনেট কনফারেন্সে পাঠায়। তারপর তা ইন্টারনেটে বিশ্বব্যাপি ছড়ায়।
CIH ভাইরাস তৈরি করেন চেন ইং হাও –এর নামের অদ্যাক্ষর অনুযায়ী ভাইরাসটির নামকরণ করা হয়। এ ভাইরাসকে চেরনোবিল ভাইরাসও বলা হয়। এটি ২৬শে এপ্রিল বিপর্যয় ঘটায়। ১৯৮৬ সালের ২৬শে এপ্রিল রাশিয়ার চেরনোবিলে মারাত্মক পারমাণবিক বিষ্ফরণ ঘটেছিল। চেরনোবিলের ২৬শে এপ্রিলের ঘটনাকের স্মরণ করে এ ভাইরাস ২৬শে এপ্রিল কার্যকর হয় বলে একে চেরনোবিল ভাইরাস বলা হয়। একে ‘স্পেস ফিলার’ও বলে। কারণ এটি ফাইলের ভিতরের খালি জায়গা দখল করে। এর কারণে এন্টিভাইরাস ভাইরাসটি ধরতে পারেনা।
সারা বিশ্বের হাজার হাজার কম্পিউটারে বিপর্যয় সৃষ্টিকারী CIH ভাইরাসের সৃষ্টিকারী হলেন, তাইওয়ানের ‘তাতং ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি’র কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সাবেক ছাত্র ‘চেন ইং হাও’। চেনের নাম অনুসারে এই ভাইরাসের নামকরণ করা হয়। ‘তাতং ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি’র ছাত্র বিষয়ক ডিন ‘লি চে চেন’ জানান, গত বছর (১৯৯৮) এপ্রিলে ভাইরাসটি আন্তঃকলেজ ডেটা সিস্টেমের ক্ষতিসাধন করলে চেনকে লঘু শাস্তি দেয়া হয়। ঐ সময়ের সিনিয়র ছাত্র চেনকে কর্তৃপক্ষ বহিষ্কারের মতো কঠিন শাস্তি দেয় নি কারণ, সে অন্য ছাত্রদের ভাইরাসটির বিস্তার ঘটাতা নিষেধ করেছিল। কিন্তু চেন ভাইরাসবিরোধী কোন প্রোগ্রাম তৈরির উদ্যোগ নেননি। লি বলেন, এক বছরের মাথায় ভাইরাসটি কেমন করে এমন বিপর্যয় ডেকে আনল সে বিষয়টি তিনি বুঝতে পারছেন না।
কেন তিনি এ ভাইরাস সৃষ্টি করেন? আত্মম্ভরিতা থেকেই চেন ইং হাও এটি করেছেন। কিন্তু এই ভাইরাস যে বিশ্বব্যাপী এমন বিপর্যয় ডেকে আনবে তা চেন কখননোই ভাবেনি। এ ভাইরাসটি সৃষ্টির কারণ হিসেবে চেন বলেন, অযোগ্য এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার প্রোভাইডারদের শিক্ষা দেওয়ার জন্য তিনি এ কাজ করেন। কলেজে থাকার সময় ইন্টারনেট থেকে গেম ও সফটওয়্যার ডাউনলোড করতে গিয়ে চেন প্রায়ই প্রযুক্তিগত বিপত্তির মুখে পড়তেন। তখনই চেন সফটওয়্যার বিশেষজ্ঞদের বোকা বানানোর জন্য এই ভাইরাসটির জন্ম দেন। এই ভাইরাসটি এন্টিভাইরাস প্রোগ্রামকে ফাঁকি দিতে সক্ষম।
ডেটা রিকভারী করাঃ
CIH ভাইরাসের সবচেয়ে বড় ক্ষতি হচ্ছে এটি হার্ডডিস্কের পার্টিশন তুলে দিয়ে ডেটা আনরিডেবেল করে দেয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞানের ছাত্র মনিরুল ইসলাম শরীফ চেনরোবিল ভাইরাসে বিপর্যস্ত কম্পিউটার ঠিক করার জন্য একটি সফটওয়্যার তৈরি করেন। সি ল্যাংগুয়েজে করা এ সফটওয়্যারটির নাম MRecover1.7। এই সফটওয়্যার দিয়ে মুছে যাওয়া ডেটা পুনরুদ্ধার করা যায়।
কয়েকটি ক্ষতিকারক ভাইরাসের বর্ণনাঃ
ব্রেইন ভাইরাসঃ ১৯৮৭ সালের ১৩ই অক্টোবর আমেরিকার ইউনিভার্সিটি অব ডেলোয়ারে পৃথিবীর সর্বপ্রথম ভাইরাস ধরা পড়ে। এটি যে ডিস্কে আক্রমণ করে সে ডিস্কের FAT নষ্ট করে ফেলে এবং ডিস্ক লেভেল হিসেব ব্রেইন শব্দ লিখে। পাকিস্তানের লাহোরের ব্রেইন কম্পিউটার সার্ভিসেস নামক এক প্রতিষ্ঠানের মালিক দুই ভাই বাসিত আলভি ও আমজাদ আলভী এই ভাইরাস তৈরী করেন। অবৈধ সফটওয়্যার নকলকারদের সায়েস্তা করার জন্যই ফ্লপি ডিস্কে ভাল প্রোগ্রামের পাশাপাশি এই সফটওয়্যার সরবারাহ করে তারা।
বেড বয় ভাইরাসঃ এটি একটি মেমোরি রেসিডেন্ট ভাইরাস। এটি .com ফাইলকে আক্রান্ত করে। এর ফাইল Growth 1001 bytes. এ ভাইরাসটি Encrypted এ ভাইরাসে আক্রান্ত পিসিতে নিন্মের বার্তা দেখায়ঃ
The bad boy halt jour system…
and
The Bad Boy virus. Copyright © 1991.
ব্যাটম্যানঃ এটি একটি ফাইল ভাইরাস। এটিও .com ফাইলসমূহকে আক্রান্ত করে। এ ভাইরাসে আক্রান্ত হার্ডডিস্ক কোন ব্যাচ ফাইল পরিচল করিয়ে দেয়। যেমন: INF.BAT তেঃ
@each off
rem
INF
del.INF.COM
ব্যচ ফাইলটি যখন রান করে তখন এ ভাইরাস .com ফাইলকে রিনেম করে।
বিগ জোক ভাইরাসঃ এটি একটি ফাইল ভাইরাস যা command.com ছাড়া অন্য সব .com ফাইলকে আক্রমণ করে। এটি Growth 1068 bytes সিস্টেমের ক্লক সেকেন্ড কাউন্টার 0 এবং 4 সেকেন্ডের মধ্যে অবস্থান করলে এ ভাইরাস রান করলে পর্দায় প্রদর্শন করেঃ
At last…ALIVE!!!!!
I guess your PC is infected by The Big Joke Virus
Release 4/4-91
Lucky you, this is the kind version
Be more careful while duplicating in the future
The Big Joke Virus, Killer Version, will strike harder
The Big Joke rules forever,
ক্রেজি ভাইরাসঃ এটি একটি ট্রোজন ভাইরাস। এ ভাইরাসে আক্রান্ত ফাইল রান করলে একটি জীবন্ত চেহারা পর্দার উপরে বাম কোণায় প্রর্দশিত হয়। তখন কোন কী চাপলে প্রদর্শিত হয়ঃ
Hi, I’m Crazy Daizy! I’m format your harddisk! Say goodbye to Your files!Formating….
এ অবস্থায় হার্ডডিস্কের লাইট প্রদীপ্ত হয়। এ ট্রোজন ভাইরাস ২০০-৪০০ কেবির বৃহৎ বৃহৎ ফাইল ইচ্ছামতো নামে বিভিন্ন লেখাসহ তৈরি করে। অতঃপর প্রদর্শিত হয়ঃ
ERROR: No SYSTEM found! No files on drive C: Insert SYSTM disk in drive A: and push any key!
নির্দেশ মতো কাজ করলে ভাইরাস সব .exe ফাইলকে Patches করে। Patched প্রোগ্রাম রান করে।  কোন কী চাপা হলে দেখায়ঃ
Pretty day today – isn’t it?
Don’t worry – sing a song!
Life isn’t easy!
Don’t hate your PC! Lets be friend!

Read more ...

ডাউনলোড করুন কিছু অসাধারন প্রোফেশনাল এবং অত্যান্ত শক্তিশালী হ্যাকিং সফটওয়্যার (বাংলা টিউটোরিয়াল সহ), আজকের সফটওয়্যার “Maya Password Stealer”, হ্যাক করুন ভিকটিমের সকল অনলাইন অ্যাকাউন্ট এর পাসওয়ার্ড। [Part 4]

Monday, February 7, 2011

আর মাত্র একটি রাত। তারপরই হতে যাচ্ছে আমাদের সবার কাংখিত “টেকটিউনস মিট আপ ২০১১”। আপনাদের সবার মত আমিও খুব এক্সাইটেড। এটা ভেবে খুবই ভালো লাগছে যে কাল আপনাদের সবার সাথে দেখা হবে। সত্যিই এটি খুবই আনন্দময়।
Copy of hacking ym11 ডাউনলোড করুন কিছু অসাধারন প্রোফেশনাল এবং অত্যান্ত শক্তিশালী হ্যাকিং সফটওয়্যার (বাংলা টিউটোরিয়াল সহ), আজকের সফটওয়্যার Maya Password Stealer, হ্যাক করুন ভিকটিমের সকল অনলাইন অ্যাকাউন্ট এর পাসওয়ার্ড। [Part 4] | Techtunes

……………..শুরুতে জানুন কিছু দরকারী কথা……………….

আমাদের অনেকের মাঝে একটা বদ্ধমুল ধারনা আছে যে হ্যাকিং জিনিশ টা খুব খারাপ এবং আকামলা দের কাজ। যাদের এই বদ্ধমুল ধারনা তাদের সাথে আমি যুদ্ধ ঘোষনা করছি। প্রত্যেকটা জিনিশেরই একটা ভাল এবং খারাপ দিক আছে। আমরা স্বভাবতই ভাল জিনিশটা জানবো এবং তার সাথে খারাপ দিকটা জানা ভাল কারন ওই জিনিশের খারাপ দিকটা জানতে হবে আমাদের নিরাপত্তার জন্য। একটা উদাহরন দিয়ে বলি, আগে থেকেই হ্যাকিং এর উপর আমার খুব আগ্রহ। টিটিতে আসার আগে আমি হ্যাকিং বিষয়ক কোন কিছুই জানতাম না। পিশিং এর কথাই ধরি। আগে আমি পিশিং সম্পর্কে কিছুই জানতাম না। এখন জানি এবং পিশিং হ্যাক করতে পারি। তাই আগে আমার অ্যাকাউন্ট যে কোন সময় পিশিং হ্যাক হতে পারত কিন্তু এটা এখন সম্ভব না কারন পিশিং URL সম্পর্কে আমার এখন পুর্ণ ধারনা আছে। তাই আমি যদি হ্যাকিং সম্পর্কে কিছুই না জানি তবে নিজেকে কিভাবে রক্ষা করবো? ঠিক এই কারনেই আমাদের দেশি ওয়েবসাইট গুলো প্রতিনিয়ত বিদেশি হ্যাকার দ্বারা আক্রান্ত হয়। আমাদের দুংখ যে আমাদের কিছু প্রফেশনাল ভাল হ্যাকার নাই। ইউরোপ আমেরিকায় লক্ষ লক্ষ ডলার বেতন দিয়ে বিভিন্ন কোম্পানী হ্যাকার রাখে তাদের কোম্পানীর নিরাপত্তার জন্য। তাই আমি মনে করি আমাদের দেশের প্রত্যেকটা ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর হ্যাকিং সম্পর্কে নুন্যতম জ্ঞান থাকা উচিত। তবে হ্যাঁ আমাদের সবাইকে নৈতিকভাবে সবল থাকতে হবে যেন এটির ব্যাড ইউজ না করি। কারো ক্ষতি করার জন্য হ্যাকিং কাজে লাগানো যাবেনা। আসলে যদি ঠিক ঠাক বুঝা যায় তবে হ্যাকিং জিনিশটা অত্যান্ত মজার এবং নেশার মত, একটু জানলে আরো জানতে ইচ্ছা করে। আলমাসের ভাষায় হ্যাকিং কোন বাহাদূরি করার জিনিষ নয় বরং শিক্ষা নেবার জিনিষ। মোট কথা হ্যাকিং থেকে বাঁচতে হলে হ্যাকিং সম্পর্কে জানতে হবে। অনেক কথা বললাম, চলুন আর কথা না বাড়িয়ে চলে যাই মুল টিউনে………………..

hacking ডাউনলোড করুন কিছু অসাধারন প্রোফেশনাল এবং অত্যান্ত শক্তিশালী হ্যাকিং সফটওয়্যার (বাংলা টিউটোরিয়াল সহ), আজকের সফটওয়্যার Maya Password Stealer, হ্যাক করুন ভিকটিমের সকল অনলাইন অ্যাকাউন্ট এর পাসওয়ার্ড। [Part 4] | Techtunes
যদি আপনারা চান তবে হ্যাকিং নিয়ে আমি কিছু ধারাবাহিক টিউন করবো। সেই সুবাদে প্রথমে কিছু প্রফেশনাল হ্যাকিং সফটওয়্যার আপনাদের সাথে শেয়ার করবো। মনে রাখবেন এগুলো প্রফেশনাল হ্যাকারদের তৈরি এবং এর কিছু কিছু খুব শক্তিশালী, এগুলো দিয়ে খুব সহজেই অন্যের পিসির বারোটা বাজানো যায়। না জেনে বেশি Experiment করতে গেলে নিজের পিসির সর্বনাশ হতে সময় লাগবে না। তখন কিন্তু আমাকে দোষ দিতে পারবেন না। এ ধরনের হ্যাকিং কে বলা হয় Script Kiddie হ্যাকিং। আমি আপনাদের সাথে এগুলো শেয়ার করছি জাস্ট আপনাদের জানার জন্য যাতে আপনারা এসব থেকে নিজেকে রক্ষা করতে পারেন।

hacking ডাউনলোড করুন কিছু অসাধারন প্রোফেশনাল এবং অত্যান্ত শক্তিশালী হ্যাকিং সফটওয়্যার (বাংলা টিউটোরিয়াল সহ), আজকের সফটওয়্যার Maya Password Stealer, হ্যাক করুন ভিকটিমের সকল অনলাইন অ্যাকাউন্ট এর পাসওয়ার্ড। [Part 4] | Techtunes

“দয়া করে কারো ক্ষতির উদ্দেশ্যে ব্যবহার করবেন না”

আজ আমি আপনাদের সাথে যে সফটওয়্যারটি শেয়ার করবো তার নাম “Maya Password Stealer”। অত্যান্ত শক্তিশালী একটি Password Stealer। এটি মুলত একটি কিলগার কিন্তু কাজ করে অন্য কিলগার থেকে একটু ভিন্ন ভাবে। এটি ভিকটিমের সকল অনলাইন অ্যাকাউন্ট যেমন ফেসবুক/ ইয়াহু/ জিমেইল ইত্যাদি অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড চুরি করে এবং মেইল ডেলিভারি অথবা PHP ডেলিভারির মাধ্যমে আপনাকে জানাবে।
চলুন জানি বিস্তারিত……………………………………………………

এটি নিয়ে কাজ করার আগে সবার প্রথমে আপনার পিসির এন্টিভাইরাসের প্রোটেকশন পজ বা টোটালি অফ করুন।

এন্টিভাইরাসের প্রোটেকশন পজ বা টোটালি অফ করার কথা বলা হয়েছে এই কারনে, কারন এন্টিভাইরাস এটিকে হারমফুল সফটওয়্যার হিসাবে ডিটেক্ট করবে এবং আপনাকে কাজ করতে দিবেনা।
তারপর ডাউনলোড করে নিন “Maya Password Stealer” সফটওয়্যারটি।
Copy of infffdex31 ডাউনলোড করুন কিছু অসাধারন প্রোফেশনাল এবং অত্যান্ত শক্তিশালী হ্যাকিং সফটওয়্যার (বাংলা টিউটোরিয়াল সহ), আজকের সফটওয়্যার Maya Password Stealer, হ্যাক করুন ভিকটিমের সকল অনলাইন অ্যাকাউন্ট এর পাসওয়ার্ড। [Part 4] | Techtunes
ডাইনলোডকৃত ফাইলটি Extract করুন। পেয়ে যাবেন মুল সফটওয়্যার। এই সফটওয়্যারটি নিয়ে একটু সাবধানে কাজ করতে হবে, কারন কিছু না জেনে কাজ করলে আপনার নিজের পিসিরই ক্ষতি হয়ে যেতে পারে।
এটি দিয়েও অন্যের অ্যাকাউন্ট এর পাসওয়ার্ড হ্যাক করা হয় একটি ট্রোজান সারভার সৃস্টির মাধ্যমে। এই সফটওয়্যার দিয়ে আপনি সরাসরি একটি ট্রোজান সারভার সৃস্টি করবেন এবং ভিকটিমের অনলাইন অ্যাকাউন্ট এর ইনফর্মেশন, আপনি পেতে চাইলে আপনাকে এই ট্রোজান সারভারটিকে তার পিসিতে যেকোন মুল্যে রান করাতে হবে। প্রথমে Editor.exe ফাইলটি চালু করুন।
এটি দিয়ে সার্ভার বিল্ডআপ তুলনামুলক ভাবে সহজ।
sshot 23 ডাউনলোড করুন কিছু অসাধারন প্রোফেশনাল এবং অত্যান্ত শক্তিশালী হ্যাকিং সফটওয়্যার (বাংলা টিউটোরিয়াল সহ), আজকের সফটওয়্যার Maya Password Stealer, হ্যাক করুন ভিকটিমের সকল অনলাইন অ্যাকাউন্ট এর পাসওয়ার্ড। [Part 4] | Techtunes
১. সফটওয়্যারটির মেইন মেনু এটি।
sshot 31 ডাউনলোড করুন কিছু অসাধারন প্রোফেশনাল এবং অত্যান্ত শক্তিশালী হ্যাকিং সফটওয়্যার (বাংলা টিউটোরিয়াল সহ), আজকের সফটওয়্যার Maya Password Stealer, হ্যাক করুন ভিকটিমের সকল অনলাইন অ্যাকাউন্ট এর পাসওয়ার্ড। [Part 4] | Techtunes
২. সবগুলো অপশনে টিক দিন।
sshot 41 ডাউনলোড করুন কিছু অসাধারন প্রোফেশনাল এবং অত্যান্ত শক্তিশালী হ্যাকিং সফটওয়্যার (বাংলা টিউটোরিয়াল সহ), আজকের সফটওয়্যার Maya Password Stealer, হ্যাক করুন ভিকটিমের সকল অনলাইন অ্যাকাউন্ট এর পাসওয়ার্ড। [Part 4] | Techtunes
sshot 51 ডাউনলোড করুন কিছু অসাধারন প্রোফেশনাল এবং অত্যান্ত শক্তিশালী হ্যাকিং সফটওয়্যার (বাংলা টিউটোরিয়াল সহ), আজকের সফটওয়্যার Maya Password Stealer, হ্যাক করুন ভিকটিমের সকল অনলাইন অ্যাকাউন্ট এর পাসওয়ার্ড। [Part 4] | Techtunes
sshot 61 ডাউনলোড করুন কিছু অসাধারন প্রোফেশনাল এবং অত্যান্ত শক্তিশালী হ্যাকিং সফটওয়্যার (বাংলা টিউটোরিয়াল সহ), আজকের সফটওয়্যার Maya Password Stealer, হ্যাক করুন ভিকটিমের সকল অনলাইন অ্যাকাউন্ট এর পাসওয়ার্ড। [Part 4] | Techtunes
৩. কিভাবে নটিফিকেশন পেতে চান তা সিলেক্ট করুন। মেইল ডেলিভারিতে পেতে চাইলে “Mail Delivery” তে টিক দিন অথবা পিএইচপি ডেলিভারির মাধ্যমে পেতে চাইলে “PHP Delivery” তে টিক দিন। অথবা ভিকটিমের পিসিতে সেভ করতে চাইলে “Save locally” তে টিক দিন।
sshot 71 ডাউনলোড করুন কিছু অসাধারন প্রোফেশনাল এবং অত্যান্ত শক্তিশালী হ্যাকিং সফটওয়্যার (বাংলা টিউটোরিয়াল সহ), আজকের সফটওয়্যার Maya Password Stealer, হ্যাক করুন ভিকটিমের সকল অনলাইন অ্যাকাউন্ট এর পাসওয়ার্ড। [Part 4] | Techtunes
৪. সার্ভারের নাম ঠিক করুন। এক্ষেত্রে একটু কৌশলী হন।
sshot 8 ডাউনলোড করুন কিছু অসাধারন প্রোফেশনাল এবং অত্যান্ত শক্তিশালী হ্যাকিং সফটওয়্যার (বাংলা টিউটোরিয়াল সহ), আজকের সফটওয়্যার Maya Password Stealer, হ্যাক করুন ভিকটিমের সকল অনলাইন অ্যাকাউন্ট এর পাসওয়ার্ড। [Part 4] | Techtunes
৫. কতবার স্টার্টআপের পর পাসওয়ার্ড ক্লিয়ার হবে তা সিলেক্ট করে দিন।
sshot 91 ডাউনলোড করুন কিছু অসাধারন প্রোফেশনাল এবং অত্যান্ত শক্তিশালী হ্যাকিং সফটওয়্যার (বাংলা টিউটোরিয়াল সহ), আজকের সফটওয়্যার Maya Password Stealer, হ্যাক করুন ভিকটিমের সকল অনলাইন অ্যাকাউন্ট এর পাসওয়ার্ড। [Part 4] | Techtunes
৬. সার্ভার ক্রিয়েট করতে “Create” ক্লিক করুন।
sshot 11 ডাউনলোড করুন কিছু অসাধারন প্রোফেশনাল এবং অত্যান্ত শক্তিশালী হ্যাকিং সফটওয়্যার (বাংলা টিউটোরিয়াল সহ), আজকের সফটওয়্যার Maya Password Stealer, হ্যাক করুন ভিকটিমের সকল অনলাইন অ্যাকাউন্ট এর পাসওয়ার্ড। [Part 4] | Techtunes
sshot 121 ডাউনলোড করুন কিছু অসাধারন প্রোফেশনাল এবং অত্যান্ত শক্তিশালী হ্যাকিং সফটওয়্যার (বাংলা টিউটোরিয়াল সহ), আজকের সফটওয়্যার Maya Password Stealer, হ্যাক করুন ভিকটিমের সকল অনলাইন অ্যাকাউন্ট এর পাসওয়ার্ড। [Part 4] | Techtunes
৭. তৈরি হয়ে যাবে আপনার কাংখিত সার্ভার ফাইল।
৮. ফাইলটিকে জিপ করে পাসওয়ার্ড প্রোটেকটেড করে ফেলুন, ডিফল্ট পাসওয়ার্ড হিসাবে ১২৩৪৫৬ সিলেক্ট করুন। মেইন সারভার ফাইলটাকে পাসওয়ার্ড প্রোটেকটেড জিপ ফাইল করা হল কারন এন্টিভাইরাস প্রোগ্রামগুলো সাধারনত পাসওয়ার্ড প্রোটেকটেড আর্কাইভ সমুহ স্ক্যান করে না। তারপর এই জিপ ফাইলটিকে যে কোন ফাইল শেয়ারিং সাইটে যেমনঃ মিডিয়া ফায়ার,মেগা আপলোড, যিড্ডু, মিরর ক্রিয়েটর ইত্যাদি সাইটে আপলোড করে দিন। এবং লিঙ্কটি,এবং কিছু চটকদার কিছু কথা লিখে (তাকে কনভেন্স করা, সম্পুর্ন আপনার উপর নির্ভর করবে) ইমেইল করে ভিকটিমের কাছে পাঠিয়ে দিন সাথে extract করার পাসওয়ার্ডটিও বলে দিন। এক্ষেত্রে একটু ট্রিক্স খেলা যায়, যেমন আপনি কাউকে একটা ভাল সফটওয়্যার(ট্রায়াল ভার্সন) দিলেন তার সাথে দিলেন আপনার আপনার তৈরি করা সার্ভার ফাইলটি, তাকে বললেন ওই সার্ভার ফাইলটি আসলে ওই সফটওয়্যার এর প্যাচ ফাইল, আর যে কোন প্যাচ ফাইলকে এন্টিভাইরাস, ভাইরাস/ট্রোজান হিসাবে ডিটেক্ট করে। তাই সে আপনার দেওয়া সফটওয়্যারটিকে ফুল ভার্সন করতে, তার এন্টিভাইরাস অফ করবে এবং প্যাচ ফাইল অর্থাৎ সার্ভার ফাইল টিকে রান করাবে এবং সে এফেকটেড হবে। যদি ভিকটিম ফাইলটি রান করে তবে ট্রোজান সারভারটি আপনার সেটকৃত কমান্ড অনুযায়ী তার পিসিতে এক্টিভ হবে। এবং তার ইন্টারনেট চালু থাকলে পিসির সব গুরুত্তপুর্ন তথ্য আপনার হাতে এনে দেবে। ভিকটিম আক্রান্ত হলে আপনার কাছে ইমেইল নোটিফিকেশন আসবে।

** সার্ভারটি ভুলেও নিজের পিসিতে রান করাবেন না।

“আবারও বলছি দয়া করে কারো ক্ষতির উদ্দেশ্যে ব্যবহার করবেন না”

টিউনটি সময় নিয়ে যথাসম্ভব গুছিয়ে করার চেষ্টা করেছি।কতটুকু পেরেছি তা আপনারা ভাল বলতে পারবেন। কোন ভুল ত্রুটি হলে ক্ষমা সুন্দর চোখে দেখবেন এবং একটা অনুরোধ, ভাল মন্দ যে কোন ধরনের কমেন্ট এবং সমালোচনা বেশি বেশি করবেন,যার ফলে এই টিউনের ভুল গুলো আমার চোখে পরবে এবং নেক্সট টিউনে সেগুলো শুধরে নেওয়ার চেস্টা করবো ফলে ভবিষ্যতে আরও ভাল টিউন আপনাদের উপহার দিতে পারব।
ভাল থাকবেন। ধন্যবাদ সবাই কে।


Read more ...

ভাইরাস ইতিহাস

কম্পিউটার ব্যবহার করেছেন কিন্তু ভাইরাসের সম্মূখীন হননি এমন কাউকে পাওয়াই ভার। ভাইরাস নিয়ে অনেক জল্পনা-কল্পনা। উৎসাহীদের আগ্রাহ মেটাতে এই প্রচেষ্টা। জানুন ভাইরাসের ইতিহাস! না পড়লে মিস করবেন…..

কম্পিউটার ভাইরাস কি?

ভাইরাস হল এমন একটি প্রোগ্রাম যা একটি ধ্বংশকারী/সন্ত্রাসী হিসেবে নিজেকে (অর্থাৎ এর “এক্সিকিউটেবল” অংশকে) অন্যান্য প্রোগ্রামের সাথে সংযোগ করে সংক্রমণ ঘটায় এবং ধ্বংশযজ্ঞ চালায়। কম্পিউটারের পরিভাষায় ভাইরাস (VIRUS) শব্দটি ভাঙলে পাওয়া যায় ‘ভাইটাল ইনফরমেশন রিসোর্সেস আন্ডার সিজ (Vital Information Resources Under Seize)’ অর্থাৎ গুরুত্বপূর্ণ উৎসগুলো বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। প্রখ্যাত গবেষক ‘ফ্রেড কোহেন’ ভাইরাসের নামকরণ করেন।

ভাইরাসের ইতিহাস পর্যালোচনা

১৯৮৬-১৯৮৭ প্রারম্ভিক পরিচয়ঃ
১৯৮৬ সালে পাকিস্তানের দুই প্রোগ্রামার আমজাদ ও বাসিত উপলদ্ধি করল ফ্লপি ডিস্কের বুটসেক্টর executable কোড ধারণ করে এবং এ কোড কম্পিউটার চালু করলেই রান করে যদি ড্রাইভে ডিস্ক থাকে। তারা আরও উপলদ্ধি করে, এ কোড তাদের নিজস্ব প্রোগ্রাম (কোড) দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয় যা মেমোরি রেসিডেন্ট প্রোগ্রাম হতে পারে এবং যা নিজের কপি তৈরি করতে সক্ষম। প্রোগ্রাম নিজের অনুলিপি তৈরি করতে পারে বলে তারা এর নাম দেয় ‘ভাইরাস’। কিন্তু এটি শুধুমাত্র ৩৬০ কিলোবাইট ফ্লপি ডিস্ককে সংক্রমিত করে।
১৯৮৭ সালে University of Delaware অনুভব করল তাদের কম্পিউটার এ ভাইরাস দ্বারা সংক্রমিত। যখন কম্পিউটার শুরু করে ফ্লপি ডিস্কের লেবেল ‘(c) Brain’ দেখতে পেল। এটিই প্রথম ভাইরাসের আক্রমণ এবং এটি ডঃ সলেমন পযাবেক্ষণ করেন। এ ভাইরাসের উপস্থিতি প্রথম উক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের জনৈকা কম্পিউটার কর্মী দেখে একে ভাইরাস বলে মনে করেন এবং ডিস্ক থেকে ডেটা পুনরুদ্ধারের কাজে নিমগ্ন ডঃ সলেমনের কাছে যান। ডঃ সলেমন একে বিশ্লেষণ করেন এবং এভাবে তিনি এন্টিভাইরাস ব্যবসায়ে আসেন।
ইতিমধ্যে ১৯৮৬ তে Ralf Burger নামক এক প্রোগ্রামার উপলদ্ধি করল, একটি ফাইল আরেকটি ভাইলের সংযুক্তিতে নিজে নিজের অনুলিপি (কপি) তৈরি করতে সক্ষম। তিনি এর উপর একটি ডেমোনেস্ট্রেশন লিখেন যাকে Virdem বলা হয়। তিনি এটি Chaos Computer Club এ বিতরণ করেন ডিসেম্বরের কনফারেন্সে যেটির Theme ছিল ভাইরাস সম্পর্কে। Virdem যেকোন com ফাইলকে আক্রান্ত করতে পারে। এর পে-লোড ভীতিকর নয়। এ ব্যাপারে Ralf খুব বেশি উৎসাহি হয়ে এ সম্পর্কিত একটি বই লেখেন। Ralf বুট সেক্টর ভাইরাস নিয়ে কোন চিন্তা করেন নি, তাই এ সম্পর্কে বইতে কিছু বললেন নি।
১৯৮৭ সালে Charlie, Vienna নামক ভাইরাসের উপন্থিতি লক্ষ্য করা যায়, যা মেশিনকে হ্যাং বা রিবুট করে দেয়। ইতিমধ্যে ইসরাইলের তেলআবিতে অন্য একজন প্রোগ্রামার Suriv-01 নামে ভাইরাস তৈরি করে। এটি ছিল মেমোরি রেসিডেন্ট ভাইরাস কিন্তু এটি .com ফাইলকে আক্রমণ করত। তার দ্বিতীয় ভাইরাস হল Suriv-02 যা শুধু .exe ফাইলকে আক্রমণ করে এবং এটি হল পৃথিবীর প্রথম .exe ফাইল আক্রমলকারী ভাইরাস। তার তৃতীয় ভাইরাস হল Suriv-03 যা .com এবং .exe উভয় ফাইলকে আক্রমণ করে। তার চতুর্থ ভাইরাস পৃথিবীর সর্বত্র ছড়িয়ে যায় এবং তা Jerosalem নামে পরিচিত হয়। এ ভাইরাস আক্রান্ত ফাইল প্রতি শুক্রবার ১৩ তারিখে চালালে ভাইরাস ফাইলকে মুছে ফেলে।
ইতিমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে Fred Chohen কম্পিউটার ভাইরাসের উপর তত্ত্বমূলক প্রবন্ধ লেখে। Dr. Chohen প্রমাণ করেন যে কেউ প্রোগ্রাম রচনা করতে সক্ষম নন যা কোন ফাইল দেখে ১০০% নিশ্চিতভাবে বলতে পারে এতে ভাইরাস আছে কি না। তিনি কিছু পরীক্ষা চালান। তিনি সিস্টেমের জন্য একটি ভাইরাস রিলিজ করেন এবং আবিষ্কার করেন যে, এটি যে কারো অনুমানের চেয়েও অনেক বেশি দ্রুত বিচরণ করতে পারে।
১৯৮৭ তে Chohen, Lehigh University তে যোগদান করেন এবং এখানে Lehigh নামক ভাইরাস তৈরি করেন। Lehigh নিশ্চিত ছিল একটি অক্ষম ভাইরাস, এটি কখনো বিস্তার লাভ করতে পারে না। কারণ এটি শুধু মাত্র Command.com ফাইলকে সংক্রমিত করে এবং চতুর্থ অনুলিপি তৈরির পর এটি Host এর অনেক ক্ষতি সাধন করে। এ ভাইরাসের একটি নীতি ছিল যে এটি দ্রুত এর Host কে Damage করে বেঁচে থাকত না। Lehigh ছিল জঘন্যতম বিপদজ্জনক। চতুর্থ অনুলিপি তৈরির পর এটি ডিস্কে অভাররাইট করত, বেশিরভাগ FAT কে আঘাত করত। কিন্তু একটি ভাইরাস যা শুধুমাত্র Command.com ফাইলকে আক্রন্ত করত তা বেশি সংক্রমক ছিল না। যাই হোক না কেন Lehigh ভাইরাস ব্যাপক প্রচার পায়।
যখন সবকিছু চলতেছিল, Newzealand এর University of Wellington এর ছাত্র একটি ভাইরাস তৈরি করে যার Soft-restraint এবং Memory-restraint Replication থাকায় সারা বিশ্বে দ্রুত প্রসার লাভ করে। ইটালীর ইউনিভার্সিটি অব টুরিনের একজন প্রোগ্রামার অন্য আরেকটি বুট সেক্টর ভাইরাস লেখেন। এ ভাইরাস রান করে স্ক্রীণে লাফানো বল প্রদর্শীত হয়। এটি Italian, Ping-Pong / Bounching Ball নামে পরিচিত। এ সময় আমেরিকাতে Yale নামক অন্য আরেকটি বুট সেক্টর ভাইরাস দেখা যায়। ১৯৮৭ তেই একজন জার্মানী প্রোগ্রামার Cascade ভাইরাস লেখেন।

১৯৮৮- খেলা হল শুরু

১৯৮৮ সালে বানিজ্যিকভাবে বিভিন্ন এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার তৈরি হয়। ­IBM কম্পিউটার ভাইরাসের ব্যাপারে জোরালো পদক্ষেপ নেয়। ১৯৮৮ সালে Virus-B নামে অপর একটি সাংঘাতিক ভাইরাস লেখা হয়। ১৯৮৮ এর শেষের দিকে Jerosalem ভাইরাস দ্বারা একটি অর্থলগ্নী প্রতিষ্ঠান মারাত্মক ক্ষতির সম্মূখীন হয়। ভাইরাসের উপর প্রথম সেমিনার অনুষ্ঠিত হয় ডঃ সলেমানের প্রচেষ্টায় এবং একই বছর তিনি তৈরি করেন প্রথম এন্টিভাইরাস Toolkit ।

১৯৮৯- তথ্য সন্ত্রাস

Jerisalem ভাইরাসের রূপান্তরিত ভাইরাস Fu Manchu বৃটিশ ভাইরাস গবেষকদের হাতে আসে। মার্চে Data crime নামক ভা্‌ইরাস দেখা দেয় হল্যান্ডে, এতে অনেক কম্পিউটার অচল হয়ে পড়ে এবং এ ভাইরাস অক্টোবরে আমেরিকাতেও ধরা পড়ে। লন্ডনের Royal National Institute of Blind, Jerosalem ভাইরাস দ্বারা আকান্ত হয়। আমেরিকাতে বিতরণকৃত এইডস সম্পর্কিত তথ্য সমৃদ্ধ বিশহাজার ডিস্কে দেয়া প্রোগ্রাম ইন্সটল করে অনেক ব্যবহারকারী বেশ বিপাকে পড়েন। Aids Information Disk ইনস্টল করার পর একটি হিডেন ডিরেক্টরী ও ফাইল তৈরি করে এবং Autoexec.bat ফাইলকে পরিবর্তন করে ফেলে। এর ফলে ৯০বার বুট হওয়ার পর সব ফাইল নামকে ট্রোজন এনপ্রিপ্টেড করে হিডেন এট্রিবিউট দেয় এবং একটি ফাইলই থাকে যাতে Po Box7, Panama এ ঠিকানায় $১৮৯ পাঠানোর কথা বলে। পুলিশ এ ব্যাপারে তদন্ত করে দায়ীকে গেপ্তার করে। ১৯৮৯ এর শেষ নাগাদ প্রায় ২ডজন ভাইরাস সম্পর্কে জানা যায়। কিন্তু এ সময়ে রাশিয়া ও বুলগেরিয়াতে কি হচ্ছে তা অনেকের অজানা থেকে যায়।

১৯৯০- কঠিন এক খেলা

Vienna ভাইরাস থেকে প্রথম Polymerphic ভাইরাস তৈরি হয়। এ বছর বুলগেরিয়া থেকে অনেক ভাইরাস উদ্ভব হয় আর এরা নিজেকে Dark Avenger নামে পরিচয় দেয়। এ ভাইরাস নতুন দু’টি ধারণার জন্ম দেয়। ১. `Fast Infector’ এ ভাইরাস মেমোরিতে ওপেন ফাইলকে আক্রামণ করে ও দ্রুত হার্ডডিস্কে আক্রান্ত করে। ২. Subtle Damage. Dark Avenger ভাইরাসটি শুধু ডেটা নয়, ডেটার ব্যাকআপও নষ্ট করতে চেষ্টা করে। এবছর বুলগেরিয়াতে প্রথম Virus Exchange BBS (VX BBS) বের হয়। ১৯৯০ এর ২য় সপ্তাহে Whale ভাইরাস দেখা দেয়। এটি বেশ বড় ও জটিল ভাইরাস যা বিশ্লেষণ করতে ভাইরাস গবেষকদের অনেক সময় লেগেছিল। ১৯৯০ এর শেষে এন্টিভাইরাস ভাইরাস লেখকদের চেয়ে শক্তিশালী ও সংগঠিত হয়। ১৯৯০ এর ডিসেম্বরে হ্যামবুর্গে European Institute for Computer Anti-virus Research (EICAR) প্রতিষ্ঠিত হয়। তারা এন্টিভাইরাস গবেষক ও ভেন্ডারদের মধ্যে আলোচনার ব্যবস্থা করে ও সরকারকে ভাইরাস লেখকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার জন্য বলে। যখন EICAR প্রতিষ্ঠিত হয় তখন পর্যন্ত প্রায় ১৫০টি ভাইরাস ছিল ও বুলগেরিয়ান ভাইরাস তৈরির কারখানা পুরোদমে চলছিল।

১৯৯১- প্রডাক্ট চালু ও পলিমরফিজম

১৯৯১ তে ভাইরাস সমস্যা মোটামুটি সমাধানে আসে। ডিসেম্বর ১৯৯০ তে Symantec Norton Antivirus চালু করে। এপ্রিল ১৯৯১ তে Central Point CPAV চালু করে। কিন্তু ডিসেম্বর ১৯৯১ এর সবচেয়ে বড় সমস্যা হল Glut (অসংখ্য ভাইরাস)। ডিসেম্বর ১৯৯০ তে ২০০-৩০০ ভাইরাস ছিল। কিন্তু ডিসেম্বর ১৯৯১ তে এর সংখ্যা দাঁড়ায় প্রায় ১২০০তে। পূর্ব ইউরোপ থেকে বেশি ভাইরাস তৈরি হয়। এতে এন্টিভাইরাস গবেষকরা প্রতিষেধক তৈরিতে বেশ হিমসিম খান। Tequila (সুইজারল্যান্ড) হল প্রথম বিস্তারকারী Polymorphic ভাইরাস।

১৯৯২-ব্যস্ত বছর

জানুয়ারী ১৯৯২তে Dark Avenger থেকে Self Mutating Engine (MtE) দেখা গিয়েছিল। প্রথমে এটাকে দেথা গিয়েছিল ভাইরাস নাম ছিল Dedicated কিন্তু সহসা MtE দেথা দিয়েছিল। প্রথমে ধরে নেয়া হয়েছিল MtE তে অজস্র ভাইরাস থাকতে পারে, কারণ এ্টি ভাইরাস খুঁজতে কঠিনতর করে। ঐ সময় Starship নামক অপর একটি সম্পূর্ণ পলিমরফিক ভাইরাস আসে। ১৯৯২তে বিশ্বে ব্যবহারকারীদের মধ্যে ভাইরাস আতংক দেখা দেয় এবং কম্পিউটার বিক্রেতারা আতংকিত হয়ে পড়ে। ৬ই মার্চের পূর্ব পর্যন্ত শুধু আমেরিকাতে প্রায় ১০হাজার কম্পিউটার অকেজো হয়ে পড়ে। আগষ্ট, ৯২তে প্রথম ভাইরাস অথরিং প্যাকেজ দেখা দেয়, যা ব্যবহার করে যে কেউ ভাইরাস তৈরি করতে পারত। ১৯৯২ এর শেষের দিকে ইংল্যান্ডে গঠিত হয় ভাইরাস লেখক সমিতি Association of Really Cruel Viruses (ARCV) ভাইরাস প্রতিরোধ গোষ্ঠির সহায়তায় স্কটল্যান্ড ইয়ার্ডের কম্পিউটার ক্রাইম ইউনিট এদের চিহ্নিত করে ও গ্রেফতার করে। ARCV তিন মাসে কয়েক ডজন ভাইরাস তৈরি করে।

১৯৯৩- পলিমরফিক ভাইরাস ও ইঞ্জিন

১৯৯৩ এর প্রথম দিকে হল্যান্ড Trident নামক নতুন ভাইরাস লেখক আবিষ্কৃত হয়। Trident এর প্রধান লেখক মাসুদ খাফির Trident Polymorphic Engine (TPE) লিখে ও এটি ব্যবহার করে GRARFE নামক নতুন ভাইরাস ছাড়ে। Cruncher ভাইরাস হল Compression ভাইরাস যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিজেকে ফাইলে যুক্ত করে বিভিন্ন কম্পিউটারে অটো-ইনস্টল করে। ইতিমধ্যে Dark Avenger DAME (Dark Angel’s Multiple Encryptor) ছাড়ে ও এটি ব্যবহার করে Trigger নামক ভাইরাস তৈরি করে। Trident আগের চেয়েও জটিল ও কঠিন TPE এর ভার্সন ১.৪ এবং এটি ব্যবহার করে তৈরি Bosnia ভাইরাস ছাড়ে্। এ বছরই উচ্চ পলিমরফিক ভাইরাস Tremor দেখা দেয়। Dark Ray এবং John Tardy তাদের দলে যোগ দেয়ায় ১৯৯৩ এর মাঝামাঝি Trident গোষ্ঠি আরও উন্নতি লাভ করে। Tardy 888 বাইটে সম্পূর্ণ পলিমারফিক ভাইরাস ছাড়ে। ১৯৯৩ এর সবচেয়ে খারপ সংবাদ হল পলিমারফিক ইঞ্জিন এবং পলিমারফিক প্যাকেজের ছড়াছড়ি যা দিয়ে সহজেই এমন ভাইরাস তৈরি করা যায় যা এন্টিভাইরাস স্ক্যানার দিয়া ধরা কঠিন।
১৯৯৩তে XTREE এন্টিভাইরাস কোম্পানি তাদের ব্যবসা ছেড়ে দেয়ার ঘোষণা দেয়- এটিই হল প্রখম ঘটনা যে একটি বড় এন্টিভাইরাস কোম্পানী গুটিয়ে ফেলা। এছাড়াও এ বছর অনেক এন্টিভাইরাস কোম্পানী বন্ধ হয়ে যায়। একই বছর ডঃ সলেমন Find Virus এবং Virus Guard এর ল্যাংগুয়েজ জন্য VIRTRAN এর জন্য Queen’s Award পান। ভাইরাস তৈরির প্যাকেজ ব্যবহার করে তৈরি ভাইরাসের সংখ্যাধিক্যর এন্টিভাইরাস লেখকরা হিমসিম খাচ্ছিল। এসব ভাইরাস বিশ্লেষণ করতে তাদের জন্য সহজ ব্যবস্থার প্রয়োজন হয়ে পড়ে। এর সমাধান হল Generic Decryption Engine (GDE) যা সন্দেহজনক ফাইলকে কোড Decrypt করে এ সিদ্ধান্তে উপনীত করে যে ফাইলটিতে ভাইরাস আছে কি নেই।

১৯৯৪ CPAV বন্ধ ও অজস্র ভাইরাসের আগমন

১৯৯৪ এর এপ্রিলে Central Point Software প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ হয়ে যায়। Central Point এন্টিভাইরাস মার্কেটে তাদের CPAV প্রডাক্ট নিয়ে জনপ্রিয় ছিল। এবছর অজস্র ভাইরাসের আগমন ঘটে। বছরের শুরু ভাইরাস ছিল ৪০০০ এবং শেষে হল প্রায় ৬০০০। ইউরোপের ভাইরাস লেখক গোষ্ঠি আরও বেপোরোয়া হয়ে উঠে।দুরপ্রাচ্যে (Far fast) Mulation Engine তৈরি শুরু করে। Dark Slyer থেকে DSME অন্তর্ভূক্ত করে। ভাইরাসের এই মারাত্মক ছড়াছড়ি এন্টিভাইরাস ভেন্ডারদের সংকটে ফেলে দেয়। ডঃ সলেমান ভাইরাস প্রাচুর্যের সাথে তাল মিলিয়ে Combination পচন্দ করেন। কিছু Combination ভাইরাস উত্তর-পশ্চিম ইংল্যান্ড থেকে বের হয়। ১৯৯৪ তে তিনটি ভাইরাস Natas, One-Half, SMEG.Pathogen আলাদা আলাদাভাবে অনেক সমস্যার সৃষ্টি করে।

১৯৯৫ ডকুমেন্ট ধ্বংসকারী ম্যাক্রোভাইরাসের উদ্ভব

১৯৯৫ এর ২৬শে মে Smeg ভাইরাস তৈরির অপরাধে ইংল্যান্ডের প্লেমাউথে ২৬ বছর বযস্ক Christopher Pile, Computer Misuse Act এর আওতায় দন্ডিত হন। ১৯৯৫ এর মধ্য পর্যন্ত ভাইরাসের সংখ্যা দাঁড়ায় প্রায় ৭০০০ এ। এন্টিভাইরাস নির্মাতারা আতংকিত হয়ে উঠেন।দূরপ্রাচ্যের অনেক প্রোগ্রামার অনেক ভাইরাস নকল করে নতুন ভাইরাস তৈরি করেন। যেমন, তাইওয়ানের CVEX ভাইরাস পরীক্ষা করলে ধরা পড়ে যে এটি Jerosalem ভাইরাসের নকল। Virogen নামক প্রোগ্রামার VICE এবং Pinworm ভাইরাস লেখেন। ১৯৯৫ এর মধ্যভাগে ডঃ সলেমন Advanced Heuristic Analysis (AHA) উপস্থিত করান যা /ANALYZE সুইচ ব্যবহার করে Find Virus কে নতুন সম্ভাব্য ভাইরাস পরীক্ষা করতে Allow করে। ১৯৯৫ এর আগষ্টে প্রথম ম্যাক্রোভাইরাস WM/Concept এর উদ্ভব ঘটে। এই ভাইরাস এমএস ওয়ার্ডের৬.০ এর ডকুমেন্টকে আক্রান্ত করে। ডকুমেন্টে ম্যাক্রো তৈরি থেকে এ ভাইরাস তৈরি হয়।

ভাইরাসের ভয়াবহ আক্রমণে বিশ্বব্যাপী কম্পিউটার বিপর্যয়

৯৯ এর ২৬শে এপ্রিল বাংলাদেশসহ সারাবিশ্বে লক্ষ লক্ষ কম্পিউটার CIH বা চেননোবিল নামক ভাইরাসের আক্রমণে বিপর্যয়ের সম্মূখীন হয়। টাইম বোমার মতো নির্দিষ্ট সময়ে এ ভাইরাসটি কম্পিউটারকে আক্রমণ করে। একই সময়ে সারাবিশ্বে ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হওয়ার এটাই সবচেয়ে আলোড়ন সৃষ্টিকারী ঘটনা। কম্পিউটার সিস্টেমে সময় ও তারিখের জন্য ঘড়ি সেট করা আছে। ঘড়ির কাটায় ২৬শে এপ্রিল, ১৯৯৯ হওয়ার সাথে সাথে কম্পিউটারে লুকায়িত সিআইএইচ ভাইরাস বিপর্যয়ের সৃষ্টি করে। বাংলাদেশসহ বিশ্বে লক্ষ লক্ষ কম্পিউটার অচল হয়ে পড়ে। পশ্চিমাদেশগুলোর তুলনায় এশিয়ার বিপর্যয়ের মাত্রা অনেক ভয়াবহ। এই ভাইরাসের ভয়াবহতা সম্পর্কে এন্টিভাইরাস কোম্পানীগুলো বারংবার সর্তক করার সত্ত্বেও এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর উদাসীনতার ফলে এই বিপর্যয় ঘটেছে।
অন্যান্য দেশের তুলনায় যুক্তরাষ্ট্র অনেক কম ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। ব্যাপক প্রচারনার ফলে যথাসময়ে এন্টিভাইরাস আপগ্রড কারায় কর্পোরেট হাউজগুলো এই বিপর্যয় এড়াতে পেরেছে। পিটার্স বুর্গের মেলোন বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার ইমারজেন্সি রেসপন্স টিমের মুখপাত্র বিল পোলক বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রে কমপক্ষে ২৩৮২টি কম্পিউটার ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে”।
সারা চীনে ১ লাখেরও বেশি কম্পিউটার CIH ভাইরাসের আক্রমণের শিকার হয।চীনের বৃহত্তম এন্টিভাইরাসের সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান রুইজিন কোম্পানীর জিএম লিউ জু একে মহাবিপর্যয় বলে আখ্যায়িত করেন।
দক্ষিণ কোরিয়ার অবস্থা সবচেয়ে ভয়াবহ। দক্ষিন কোরিয়ার তথ্য ও যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী আন বিউং-ইয়প ক্ষমা চেয়ে বলেন, “আমরা এই ভাইরাসটির ধ্বংশ ক্ষমতা সম্পর্কে অজ্ঞ ছিলাম এবং বিষয়টির প্রতি যথেষ্ট গুরুত্ব দেইনি”। তিনি বলেছেলেন, “কম্পিউটার ভাইরাস সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করে তুলতে হবে ও সর্তকতা পদ্ধতিকে আরও শক্তিশালী করতে হবে”। সরকারী সূত্রমতে, দক্ষিণ কোরিয়ায় ৩ লক্ষ কম্পিউটার CIH ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হয়েছিল। তবে, এন্টিভাইরাস কোম্পানীগুলো দাবি করেছে, ৬ লাখেরও বেশি কম্পিউটার ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হয়েছে।
তুরষ্কের র‍্যাডিকেল পত্রিকা জানিয়েছে, বারংবার সর্তক করার সত্ত্বেও, কেউই বিষয়টি তেমন গুরুত্ব দেয়নি। ফলে যা ঘটার তাই ঘটেছে। প্রচুর কম্পিউটার ভাইরাস আক্রান্ত হয়ে অচল হয়ে গেছে।
বিশ্বব্যাপি সবাই চেষ্টা করে এ বিপর্যায় কাটিযে উঠার জন্য। এই ভাইরাসটি ২৬শে এপ্রিল, ২৬শে জুন ও প্রতি মাসের ২৬ তারিখে আক্রমণ করতে দেখা যায়। এই ভাইরাসের আক্রামণ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য এখনই সর্তক থাকুন। [সংকলিত]
খারাপ বা ভাল যাই লাগবে মন্তব্য করতে চেষ্টা করবেন প্লিজ…………..

Read more ...

যেভাবে বুঝবেন কম্পিউটারে ভাইরাস আছে

Monday, January 24, 2011

কম্পিউটারে ভাইরাস ঢোকা এখন স্বাভাবিক একটা বিষয়। কম্পিউটারে ভাইরাসের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো− রুট সেক্টর ভাইরাস, পার্টিশন টেবিল ভাইরাস, মিউটেটিং ভাইরাস, ওভার রাইটিং ভাইরাস।কম্পিউটার এসব ভাইরাসে আক্রান্ত হলে প্রথমেই সাধারণত বড় কোনো সমস্যা হয় না। প্রথমে কিছু ছোট সমস্যা দেখা দেয়। যে সমস্যাগুলো হলে বুঝবেন আপনার শখের পিসি ভাইরাসে আক্রান্ত, সেগুলো হলো: কম্পিউটারের গতি ধীর হবে। হার্ডডিস্কের ফাঁকা জায়গা কমে যাবে।কিবোর্ড ও মাউস ঠিকঠাক কাজ করবে না। সফটওয়্যার ও গেমস হতে বেশি সময় লাগবে। Disk Bad Sector পুনরাবৃত্তি হবে। অসংলগ্ন ত্রুটির বার্তা (এরর মেসেজ) দেখা যাবে। লেখার ফাইলের তথ্য নষ্ট হয়ে যাবে। র‌্যাম কম দেখাতে পারে। অজানা এক্সটেনশনযুক্ত ফাইল পাওয়া যাবে। ডিস্কের ভলিউম লেবেল পরিবর্তন হওয়াটা স্বাভাবিক। কোনো কিছু সেইভ হতে অনেক বেশি সময় নেবে। নিজে থেকেই বিভিন্ন প্রোগ্রাম রান বা বন্ধ হতে পারে। সিডি, ডিভিডি-রম ঠিকভাবে কাজ করবে না। কোনো কারণ ছাড়াই কম্পিউটার রি-স্টার্ট বা বন্ধ হতে পারে। রি-স্টার্ট করতে সময় বেশি লাগবে।

Read more ...

ভাইরাসের হাত থেকে বাঁচুন

পেনড্রাইভের মাধ্যমে কিছু অযাচিত কিছু চালক ফাইল (*.exe) ফাইল কম্পিউটারে ঢুকে পড়ে। এসবের মধ্যে 2u.exe-সহ আরও বেশ কিছু ফাইল ভাইরাস বহন করে। কিছু আছে, যা কিবোর্ড ও মাউসকে অকার্যকর করে দেয়। এই ফাইলগুলো অটোরানের মাধ্যমে কম্পিউটারে প্রবেশ করে। এসব ভাইরাস থেকে মুক্ত থাকতে হলে Run-এ গিয়ে gpedit.msc লিখে এন্টার করুন। এবার গ্রুপ পলিসির উইন্ডো আসবে, ওখান থেকে ইউজার কনফিগারেশনে + চাপুন। অ্যাডমিনিস্ট্রেটর টেমপ্লেটসে এবং System-এ ক্লিক করুন। ডানপাশে টার্ন অব অটোপ্লেতে দুই ক্লিক করুন এবং এটা সব ড্রাইভের জন্য এনাবল করে Apply করুন।

এর পাশাপাশি ভাইরাস থেকে মুক্ত থাকতে চাইলে কিছু সতর্কতা অবলম্বন করুন। যেকোনো পেনড্রাইভ খোলার আগে উইনরার সফটওয়্যারের মাধ্যমে পেনড্রাইভটি দেখুন। ড্রাইভটিতে কোনো autorun.inf ফাইল আছে কি না বা কোনো অযাচিত *.exe ফাইল আছে কি না। থাকলে ওগুলো মুছে ফেলুন এবং অবশ্যই পেনড্রাইভ সরাসরি না খুলে এক্সপ্লোরার ব্যবহার করে খুলুন। তাহলে এসব ভাইরাস থেকে সহজেই মুক্ত থাকা সম্ভব।

Read more ...

ভাইরাসের উপস্থিতি টের পাবেন যেভাবে

Tuesday, January 18, 2011

কম্পিউারে ভাইরাসের সংক্রমণ হলে কিছু বিষয় লক্ষ রাখলে কম্পিউটারে ভাইরাস আছে কি না তা জানা সম্ভব। যার মধ্যে রয়েছে কম্পিউটারে ভাইরাস থাকলে temp ফাইল মুছবে না। Add or remove programme অপশন থেকে কোনো প্রোগ্রাম বাদ দিতে চাইলে বাদ দেওয়া যাবে না, Ctrl+Alt+Delete চেপে বের করা টাস্ক ম্যানেজার খুলবে না, Tools/Folder Option থেকে কোনো হিডেন ফাইল প্রদর্শন করতে চাইলেও তা প্রদর্শিত হবে না, উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের Registry Editor খুলবে না এবং কমান্ড অপশন কাজ করবে না। এগুলো পরীক্ষা করে জানা যাবে আপনার কম্পিউটারে ভাইরাস আছে কি না।

Read more ...

New Folder ভাইরাস হতে মুক্তি পান

Wednesday, July 21, 2010

আমি আজকে আপনাদেরকে এমন একটি ভাইরাস সম্পর্কে বলবো যা প্রায় অধিকাংশের PC-তে নিভৃতে আক্রমন করে। এটি New Folder, regsvr.exe ও autorun.inf নামে পরিচিত। তবে New Folder ভাইরাস নামেই বেশি পরিচিত। যাই হোক বেশি কথা না বলে কাজের কথায় আসি। আমরা কয়েকটি ধাপ অনুসরণ করে এটি থেকে মুক্তি পেতে পারি।
নির্ণয়ঃ
এটি হার্ডডিস্কের প্রতিটি ড্রাইভে ও পেন ড্রাইভের রুটে অবস্থান করে যা hidden ও read-only অবস্থায় থাকে। তাই প্রথমে My Computer-এর Tools মেনু > Folder Options > View tab হতে Show hidden files and folders সিলেক্ট করুন এবং তার নিচে Hide protected operating system fies-এর টিক চিহ্ন তুলে দিন। এ পর্যায়ে একটি Warning ডায়ালগ বক্স আসবে, এখানে Yes সিলেক্ট করুন।
নির্মূলঃ
• 1. Start > Search > For Files and Folders এ ক্লিক করুন। All files and folders সিলেক্ট করুন। More advanced options > Search hidden files and folders সিলেক্ট করুন। এখন autorun.inf ফাইলটি Search করুন। প্রাপ্ত সকল autorun.inf ফাইল-এ right click করে properties হতে read-only-র টিক চিহ্ন তুলে দিন।
• 2. notepad-এ ফাইলটি খুলে +A চেপে চাপুন। তারপর Save করে বেরিয়ে আসুন।
• 3. এখন আবার পূর্বের পদ্ধতিতে ফাইলটি read-only-তে রূপান্তর করুন যাতে ভাইরাস পুনরায় এটি পরিবর্তন করতে না পারে।
• 4. Start > Run এ msconfig টাইপ করে Ok তে ক্লিক করুন।
• 5. ট্যাব হতে regsvr আইটেম-টির সিলেকশন তুলে দিন। Ok করুন। এরপর Exit without Restart-এ ক্লিক করে বেরিয়ে আসুন।
• 6. control panel > scheduled tasks হতে সকল tasks মুছে ফেলুন।
• 7. start > run এ gpedit.msc টাইপ করে Ok করুন।
• 8. users configuration > Administrative templates > system এ ক্লিক করুন। এবার ডান দিকের অংশ হতে prevent access to registry editing tools এ ডাবল ক্লিক করে disable সিলেক্ট করুন। Ok করে বেরিয়ে আসুন।
• 9. start > run এ গিয়ে regedit টাইপ করে Ok করুন।
• 10. (edit মেনু find) regsvr.exe ফাইলটি find দিন এবং তৎসম্পর্কিত সকল এন্ট্রি মুছে ফেলুন। (ওহঃ ভাল কথা regedit এর যেকোন পরিবর্তনের পূর্বে এর backup রাখতে ভুলবেন না)।
• 11. দু’এক জায়গায় “Explorer.exe regsvr.exe” এই রকম লেখা পাবেন, এক্ষেত্রে শুধু regsvr.exe অংশটুকু মুছুন।
• 12. এবার Start > Search > For Files and Folders হতে regsvr.exe এবং svchost .exe ফাইল দু’টি Search করে মুছে ফেলুন। এখানে একটি বিষয় খেয়াল করুন যে, svchost ফাইলের পরে ও .exe এর আগে একটি space আছে।
• 13. সব শেষে Computer এর reset বাটন চেপে reboot করুন।

Read more ...

ভাইরাসের হাত থেকে পেনড্রাইভ বাচাবেন যেভাবে

Wednesday, June 23, 2010

ভাইরাসের আক্রমণ থেকে পেনড্রাইভের সুরক্ষার জন্য পেনড্রাইভ কখনো সরাসরি Open অথবা Explore করে না খুলে My computer-এ গিয়ে Address Bar থেকে Drive Letter লিখে ( যেমন L হলে L ) পেনড্রাইভ খুলুন। এ ছাড়া Tools/Folder Options-এ গিয়ে View অপশন থেকে Show Hidden Files and Folders, Hide Extensions for known File Types, Hide Protected Operating System Files চেকবক্সে টিক চিহ্ন দিয়ে হিডেন সিস্টেম ফাইল শো করুন এবং কোনো সন্দেহজনক হিডেন (*.exe) ফাইল পেলে মুছে ফেলুন। পেনড্রাইভে autorun.inf নামে একটা ফোল্ডার (ফাইল নয়) তৈরি করে রাখুন। ফলে এর জায়গায় autorun.inf ভাইরাস নিজস্ব ফাইল তৈরি করতে পারবে না।

Read more ...

ভাইরাস সম্পর্কে সচেতন থাকুন

Thursday, June 17, 2010

l ই-মেইলের সংযুক্ত ফাইল খোলার আগে তাতে কোনো ভাইরাস আছে কি না, তা জানতে সেটি অ্যান্টিভাইরাস দিয়ে পরীক্ষা করে নিতে হবে।
l যদি এক বা একাধিক ফাইল ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে থাকে, তবে তা প্রথমে অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার দিয়ে পরিষ্কার (ক্লিন) করার চেষ্টা করতে হবে। সব ফাইল যদি পরিষ্কার হয় তবে তো ভালো কথা। কিন্তু কিছু ফাইল যদি পরিষ্কার না হয়, তবে সেগুলো মুছে (ডিলিট) ফেলতে হবে। ফাইলগুলো যদি আপনার খুব দরকারি হয়, সে ক্ষেত্রে সেসব না মুছে কোয়ারেনটাইন (ভাইরাসে আক্রান্ত ফাইল না মুছে সেগুলোকে অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার দিয়ে একটি বিশেষ অবস্থায় রাখা) করে রাখতে হবে। এ অবস্থায় ফাইলগুলো থেকে কোনোভাবেই ভাইরাস ছড়াতে পারে না।
l যখন কোনো ফ্লপিডিস্ক, সিডি, অতিরিক্ত হার্ডডিস্ক, পেনড্রাইভ ইত্যাদি ব্যবহার করা হবে, তখন ভাইরাস পরীক্ষার (স্ক্যান) স্বয়ংক্রিয় সুবিধাটি সক্রিয় রাখতে হবে।
l সব সময় অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যারের হালনাগাদ সংস্করণটি ব্যবহার করতে হবে এবং অ্যান্টিভাইরাস হালনাগাদ করার পর অবশ্যই পুরো কম্পিউটার এটি দিয়ে পরীক্ষা করে নিতে হবে।
l একই অপারেটিং সিস্টেমে কখনোই পাশাপাশি দুটি বা এর বেশি অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার রাখা উচিত হবে না।
l ব্যবহারকারী ইচ্ছা করলে একাধিক অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার দিয়ে কম্পিউটার পরীক্ষা করে নিতে পারেন। কারণ অনেক সময় দেখা যায়, কোনো একটি অ্যান্টিভাইরাস কখনো কখনো কিছু ভাইরাসকে শনাক্ত করতে পারে না।
l একাধিক অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার দিয়ে কম্পিউটার পরীক্ষা করতে চাইলে প্রথমে যে অ্যান্টিভাইরাসটি ইনস্টল করেছেন, তা দিয়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে পরীক্ষা করে নিতে হবে এবং পরে সেটি ফেলে দিয়ে (আন-ইস্টল) আরেকটি অ্যান্টিভাইরাস ইনস্টল করে কম্পিউটার পরীক্ষা করাতে হবে।
l কম্পিউটারে ভাইরাস পরীক্ষা চালানোর জন্য প্রথমে safe মোডে কম্পিউটার চালু করতে হবে। এরপর ভাইরাস পরীক্ষার কাজ শুরু করতে হবে।
l যাঁরা ইন্টারনেট ব্যবহার করেন, তাঁরা অবশ্যই হালনাগাদ অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করবেন।
l ব্যবহারকারীর যদি অসীম (আনলিমিটেড) ডায়ালআপ বা ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগ থাকে, তবে ব্যবহারকারী ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিশ্বখ্যাত অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার নির্মাতার ওয়েবসাইট থেকে বিনামূল্যে ভাইরাস স্ক্যান করে নেওয়া যেতে পারে।

Read more ...